বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮

‘ছোটবেলা থেকে বন্দুক নিয়ে খেলছি, বন্দুক নিয়ে নাচাটা মোটেও অন্যায় নয়,’ সাফাই বিজেপি বিধায়কের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন্দুক তো কারোর দিকে তাক করা ছিল না, তাহলে সমস্যাটা কোথায়? প্রশ্ন তুলেছেন উত্তরাখণ্ডের বিজেপি বিধায়ক প্রণব সিং চাম্পিয়ন। হাতে রিভলভার নিয়ে বলিউড গানের সঙ্গে তাঁর কোমর দোলানোর ভিডিয়ো এখনও রমরম করে চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। চার-চারটে রিভলভার নিয়ে, মদের গ্লাসে চুমুক দিয়ে বিধায়কের নাচ দেখে বিতর্কও দানা বেঁধেছে। বেজায় চটেছে দলও। তাই তড়িঘড়ি সাফাই গেয়ে বিধায়ক বলেছেন, “এই ভিডিয়ো পুরোপুরি এডিট করা হয়েছে। অনুমতি না নিয়েই আমার বাড়িতে ঢুকে এই ভিডিয়ো তোলা হয়েছে।”

উত্তরাখণ্ডের ডাকাবুকো বিজেপি বিধায়ক প্রণব সিং চ্যাম্পিয়ন যেন বিতর্কের শিরোমনি। এর আগেও একবার দু’হাতে রিভলভার নিয়ে নাচের জন্য বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন, তখন তিনি কংগ্রেসের কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন। তবে এ বারের নাচটা একটু বেশিই ‘দাবাং’ ছিল। ভিডিয়োতে দেখা যায়, গায়ে কালো রঙের স্যান্ডো গেঞ্জি, সাদা ফুট প্যান্ট আর ইয়া পাট্টা দেওয়া গোঁফের বিধায়কের দাঁতে চেপে ধরা একটি রিভলভার, দু’হাতে উঁচু করে ধরা আরও দুটো। বলিউড গানের সঙ্গে কোমরে মোচড় দিয়ে সে একেবারে ‘তামাঞ্চে পে ডিস্কো’!

এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই প্রণবকে শো-কজ করে দল।  দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে এমনিতেই সাসপেন্ড রয়েছেন তিনি। এ বার তাঁকে বহিষ্কার করা যায় কি না সেই নিয়েও দলের অন্দরে কথাবার্তা শুরু হয়ে গেছে। সব দেখে শুনে তাই বিধায়কের সাফাই, “আমার হাতে যে রিভলভার গুলো ছিল সেগুলোর লাইসেন্স আছে। ভিতরে গুলিও ছিল না। সবচেয়ে বড় কথা, বন্দুক তো আর কারোর দিকে তাক করা ছিল না। তাহলে কিসের অসুবিধা?”

দেখুন সেই ভিডিয়ো:

৫৩ বছরের বিধায়কের দাবি, “আমার লেভেলের একজন চার বারের বিধায়কের দেখান, যিনি এই বয়সে আমার মতো ফিট এবং গুণী। বয়সকে আমি বশে রেখেছি। আমার ব্যক্তিত্বের এই ভালো দিকটা মিডিয়া দেখছে না।”

প্রণবের ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, ক’দিন আগে বিধায়কের পায়ে অস্ত্রোপচার হয়েছে। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার আনন্দেই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি দিয়েছিলেন প্রণব। ভাইরাল ভিডিয়োতে প্রণবের অনুচরদের বলতে শোনা যায়, আপনার মতো এক জন গোটা উত্তরাখণ্ডে নেই। জবাবে প্রণব বলেন, উত্তরাখণ্ড কেন গোটা ভারতে নেই।

আরও পড়ুন:

রিভলভার হাতে সে কী নাচ বিজেপি বিধায়কের, একটা নয় চার-চারটে!

Comments are closed.