রবিবার, মার্চ ২৪

দ্রুততম ট্রেন, কিন্তু ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’ বারাণসী পৌঁছল প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের দ্রুততম ট্রেনের খেতাব পেয়েছিল ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’। ট্রেনের গতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার গতিতে চলা এই ট্রেন প্রথম দিনেই ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিট দেরিতে পৌঁছল গন্তব্য স্টেশন বারাণসীতে।

শোনা গিয়েছে, দিল্লি এবং কানপুরের মাঝে একটি জায়গায় দাঁড়িয়ে গিয়েছিল ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’। আর তাতেই সম্ভবত দেরিতে বারাণসী পৌঁছয় এই ট্রেন। যদিও ভারতীয় রেল জানিয়েছে, কুয়াশার কারণেই এ দিন দুপুর ২টো’র বদলে ৩টে ২৫ মিনিটে বারাণসী ক্যান্টনমেন্টে পৌঁছয় ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার ট্রেনের যাত্রা শুরুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ব্রেক ডাউন হয় এই অত্যাধুনিক ট্রেন ১৮-এর। বারাণসী থেকে রওনা দেওয়ার পর টুন্ডলা স্টেশন থেকে ১৫ কিমি দূরে আচমকাই দাঁড়িয়ে যায় ট্রেন। কী কারণে এই ব্রেক ডাউন হয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে তদন্তে নামেন ইঞ্জিনিয়াররা। তারা জানান, কোনও গবাদি পশু রেললাইনের উপর চলে এসেছিল। ট্রেনটি তার উপর দিয়ে চলে যায়।  তারপরেই দেখা দেয় যান্ত্রিক গোলযোগ। আর এই দাঁড়িয়ে গিয়েছিল ট্রেন।

এরপর রবিবার ফের যাত্রা শুরু করে ‘বন্দে ভারত’। রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল জানান, দিল্লি থেকে বারাণসীর উদ্দেশে রওনা হওয়া এই ট্রেনের আগামী দু’সপ্তাহের জন্য সমস্ত টিকিট বুকিং হয়ে গিয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ভয়াবহ আত্মঘাতী জঙ্গি হানার ঠিক পরের দিনই ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নতুন ট্রেন চালু হওয়াই নাকি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার বিরুদ্ধে সবথেকে বড় জবাব, এমনটাই মন্তব্য করলেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

এ দিন উদ্বোধনের পর সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে পীযূষ গোয়েল তুলে আনেন ২৬/১১ মুম্বই হামলার প্রসঙ্গ। বলেন, “যেভাবে মুম্বই হামলার পর মুম্বইয়ের মানুষ কাজে যোগ দিয়েছিলেন, নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছিলেন, সেটা ছিল সেই সময় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সবথেকে বড় জবাব। ঠিক সেভাবেই আজকে ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’ চালু করা হলো দেশের মানুষের জন্য। এটাই জঙ্গিদের সবথেকে বড় জবাব। আমাদের জওয়ান বা সাধারণ মানুষ, কেউই জঙ্গিদের কাছে মাথা নত করবে না।”

Shares

Comments are closed.