ধর্ষিতা ছ’বছরের শিশুকন্যা সঙ্কটজনক, স্কেচের পরে মূল অভিযুক্তের ছবি সামনে আনল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

বুধবার বিবৃতি দিয়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দলপত নামে এই যুবক শিশুকন্যার ধর্ষণে মূল অভিযুক্ত। এই যুবকের খোঁজ দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। যিনি খোঁজ দেবেন তাঁর পরিচয় গোপন রাখবে পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছ’দিন কেটে গেছে। একজন অভিযুক্তেরও নাগাল পায়নি পুলিশ। মেরঠের হাসপাতালে শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি হচ্ছে বছর ছয়েকের মেয়েটার। ছোট্ট শরীরে নৃশংস নির্যাতন চালানোর জন্য দায়ী যে তিন অভিযুক্ত তাদের স্কেচ আগেই সামনে এনেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। এবার এই দলের পাণ্ডা মূল অভিযুক্তের ছবি সামনে এল। অভিযুক্তের খোঁজ দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণাও করেছে হাপুর জেলার পুলিশ।

বুধবার বিবৃতি দিয়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দলপত নামে এই যুবক শিশুকন্যার ধর্ষণে মূল অভিযুক্ত। এই যুবকের খোঁজ দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। যিনি খোঁজ দেবেন তাঁর পরিচয় গোপন রাখবে পুলিশ।

দিল্লি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে উত্তরপ্রদেশের হাপুর জেলার গড় মুক্তেশ্বর এলাকার বাসিন্দা ওই শিশুকন্যা। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তার উপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছিল তিন যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, মোটরবাইকে করে এসে শিশুকন্যাকে অপহরণ করেছিল তিনজন। তারপর নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। গ্রামের বাইরে একটি ঝোপের ভেতর থেকে অচৈতন্য অবস্থায় বাচ্চা মেয়েটাকে উদ্ধার করা হয়।

তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, ছোট্ট শরীরটাতে কালশিটের দাগ পড়ে গিয়েছিল, চাপ চাপ রক্ত জমে ছিল। জামাকাপড়ও রক্তে মাখামাখি ছিল। শিশুটিকে সারা শরীরে মারধরের দাগ ছিল স্পষ্ট। ধর্ষণের প্রমাণও মিলেছে।

মেরঠের একটি বেসরকারি হাসপাতালে যখন মেয়েটিকে ভর্তি করা হয় তার অবস্থা ছিল সঙ্কটজনক। ইতিমধ্যেই তার একটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে শারীরিক অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি। ডাক্তাররা বলেছিলেন শিশুটি কিছুটা স্থিতিশীল হলেও ভয়ের কারণ রয়েছে। হাসপাতাল থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, মেয়েটির শারীরিক অবস্থার ক্রমেই সঙ্কটজনক হয়ে উঠছে।

নির্যাতিতা শিশুকন্যার পরিবারের বক্তব্য ও প্রতিবেশীদের বয়ান শুনে তিন অভিযুক্তের স্কেচ সামনে এনেছিল পুলিশ। কিন্তু অভিযুক্তদের খোঁজ মেলেনি। পুলিশ কুকুর নামিয়ে হাপুর জেলা ও তার সংলগ্ন এলাকা তন্ন তন্ন করে খুঁজেও অভিযুক্তদের পাকড়াও করা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, দলপত নামে দলের ওই পাণ্ডাকে ধরতে পারলেই বাকিদের সন্ধান পাওয়া যাবে। হাপুরের সবকটি গ্রামে এই ছবি দেখিয়ে অভিযুক্তের খোঁজ চালানো হচ্ছে। কাজে নেমেছে পুলিশের স্পেশাল টিম। খুব দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More