বুধবার, জানুয়ারি ২৯
TheWall
TheWall

উন্নাও কাণ্ড: নিরাপত্তা চেয়ে প্রধান বিচারপতিকেও চিঠি লিখেছিলেন নির্যাতিতা

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উন্নাও গণধর্ষণ কাণ্ডের নির্যাতিতা দেশের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখে তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা চেয়েছিলেন। সংবাদ সংস্থা এএনআই জানাচ্ছে, গত ১২ জুলাই ওই তরুণী চিঠি লিখেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে।

চিঠিতে নির্যাতিতা তরুণী লিখেছেন, “আপনি দয়া করে আমার পরিবারের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুন। ওরা আমাদের বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে গিয়েছে। বলেছে, মামলা তুলে না নিলে, আমার এবং আমার পরিবার লোকজনকে মিথ্যে মামলায় জেলে ভরে দেবে।”

এই ধর্ষণে অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সিং সেঙ্গারের বিরুদ্ধে জেলে বসেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ওঠে। কুলদীপ ও তাঁর ভাই মনোজ-সহ আরও ৮ জনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু হয়েছে। নির্যাতিতার কাকার অভিযোগ, জেলে বসেই অভিযুক্ত সব খবর পাচ্ছে। নির্যাতিতার নিরাপত্তারক্ষীরাই তাঁর গতিবিধির খবর সরবরাহ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার দিন নির্যাতিতার সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষী ছিল না বলে প্রশ্ন ওঠে। যদিও পুলিশের দাবি, নির্যাতিতার সঙ্গে ৭ নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। রবিবারেও ৩ নিরাপত্তা রক্ষী ছিল বলে দাবি।

রবিবার দুপুরে উন্নাওয়ে নিগৃহীতাদের বাড়ি থেকে রায়বরেলির জেলা কারাগারে যাওয়ার সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। একটি লরি এসে সজোরে ধাক্কা মারে তাঁদের গাড়িটিকে। মৃত্যু হয় নির্যাতিতা তরুণীর দুই কাকিমার। তাঁর অবস্থাও আশঙ্কাজনক। রয়েছেন ভেন্টিলেশনে। ওই ঘাতক লরির নম্বরপ্লেট কালো রঙ করা ছিল। লরির চালক ও মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে সারা দেশে। কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

২০১৭ সালের মে মাসে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে জেলে রয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গার। নিগৃহীতার অভিযোগ, তিনি যখন একটা চাকরির জন্য নিজের আত্মীয়ের সঙ্গে উন্নাওয়ে ওই বিধায়কের বাড়িতে যান, তখন তিনি তাঁকে ধর্ষণ করেন। উন্নাওয়ের এই ঘটনা গত বছর সংবাদের শিরোনামে আসে। তখন নিগৃহীতার বয়স ছিল ১৬। গত বছরের ৮ এপ্রিল নিগৃহীতা ও তাঁর মা মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বাড়ির সামনে আত্মাহুতি দেওয়ার চেষ্টা করলে ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যায়।

Share.

Comments are closed.