প্রয়োজন ১ কোটি, সরকারের কাছে ৩ কোটি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট রয়েছে, জানাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

“আমরা হিসেব করে দেখেছি, আগামী কয়েক সপ্তাহে এই ট্যাবলেটের চাহিদা বেড়ে ১ কোটি ৬০ লক্ষ মতো হতে পারে। সেটার থেকে অনেক বেশি তো আমাদের কাছে এখনই রয়েছে। সুতরাং এই ট্যাবলেট নিয়ে কাউকে চিন্তা করার দরকার নেই।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছিল, করোনা মোকাবিলায় অ্যান্টি ম্যালেরিয়া ড্রাগ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে তার জন্য নির্দিষ্ট প্রোটোকল মানতে হবে। বর্তমানে সরকারের কাছে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট আছে বলেও জানিয়েছিল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সরকারের কাছে কী পরিমাণ ট্যাবলেট রয়েছে ও দেশের কী চাহিদা সে ব্যাপারেই শুক্রবার স্পষ্ট তথ্য দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

    এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল। সেখানে তিনি বলেন, “হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট আমাদের কাছে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আছে। বর্তমানে দেশে এই ট্যাবলেটের চাহিদা ১ কোটি। এই মুহূর্তে সরকারের কাছে ৩.২৮ কোটি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট রয়েছে। অর্থাৎ আগামী এক সপ্তাহে দেশে যা প্রয়োজন তার তিনগুণের থেকেও বেশি ট্যাবলেট আছে আমাদের কাছে।”

    সরকার ছাড়াও যে এই ট্যাবলেটের জোগান বেসরকারি ক্ষেত্রেও রয়েছে তাও এদিন জানান লব আগরওয়াল। তিনি বলেন, “এটা তো সরকারের হিসেব। এছাড়াও বেসরকারি ক্ষেত্রে আরও ২-৩ কোটি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট রয়েছে। যাঁরা বেসরকারি ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত তাঁদের জন্য ২ কোটি ট্যাবলেট ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দিয়েছে বেসরকারি সংস্থাগুলি।”

    আগামী দিন এই ট্যাবলেটের চাহিদা বাড়লেও কোনও সমস্যা নেই বলেই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্মসচিব। তিনি বলেন, “আমরা হিসেব করে দেখেছি, আগামী কয়েক সপ্তাহে এই ট্যাবলেটের চাহিদা বেড়ে ১ কোটি ৬০ লক্ষ মতো হতে পারে। সেটার থেকে অনেক বেশি তো আমাদের কাছে এখনই রয়েছে। সুতরাং এই ট্যাবলেট নিয়ে কাউকে চিন্তা করার দরকার নেই।”

    এর আগে গতকাল হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ড্রাগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশিকা দেন লব আগরওয়াল। তিনি বলেন, “এই ড্রাগ সবার উপর ব্যবহার করা যাবে না। কিছু প্রোটোকল আমাদের মেনে চলতে হবে। আমাদের দেখতে হবে, কার শরীরে এই ড্রাগ ব্যবহার করলে তার কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে না। কারণ এই ড্রাগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাই চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ডাক্তার ও বিশেষ কিছু রোগীর শরীরে এই ড্রাগ আমরা ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু যাঁদের হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা রয়েছে তাঁদের শরীরে এই ড্রাগ ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। ডাক্তারদের সেই ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More