চাকরির জন্য বাবাকে গলা কেটে খুন বেকার ছেলের, গ্রেফতার যুবক

১,০৩৫

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবসরের আগে বাবার মৃত্যু ঘটলে তাঁর জায়গায় মিলবে চাকরি, এমনটাই ভেবেছিল এক বেকার যুবক। আর তাই বাবাকে গলা কেটে খুন করল ছেলে। যদিও চাকরি পাওয়া তো দূর। শেষরক্ষা হয়নি তার। পুলিশের জেরার মুখে সব স্বীকার করে সে। তারপরেই তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের রামগড়ে। ওই যুবকের বাবা সেন্ট্রাল কোল ফিল্ডস লিমিটেডে চাকরি করতেন বলে জানা গিয়েছে। যেহেতু ওই সংস্থা সরকারের অধীনস্থ, তাই ওই যুবক জানত অবসরের আগে বাবা মারা গেলে সে চাকরি পাবে।

পুলিশ সূত্রে খবর, যুবকের বয়স ৩৫ বছর। কিন্তু কোনও চাকরি করত না সে। তার বাবার নাম কৃষ্ণ রাম। তাঁর বয়স ৫৫ বছর। সেন্ট্রাল কোল ফিল্ডস লিমিটেডের সেন্ট্রাল ওয়ার্কশপে রক্ষীর কাজ করতেন তিনি। রামগড় জেলার বারখানাতে সংস্থার কোয়ার্টারেই ছেলেকে নিয়ে থাকতেন তিনি। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

সাব ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার প্রকাশ চন্দ্র মাহাতো শনিবার একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, প্রথমে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখে মৃতদেহের পাশে একটি ছোট্ট ছুরি পড়ে রয়েছে। সেই ছুরিতে করেই খুন করা হয় কৃষ্ণকে। ছুরি ছাড়া সেখানে কৃষ্ণর ফোনও পড়ে থাকতে দেখে তারা।

প্রকাশ জানিয়েছেন, কৃষ্ণর ছেলে দাবি করে ঘটনার সময় সে ঘরে ছিল না। সেই সুযোগেই চুরির জন্য কেউ কোয়ার্টারে ঢুকে বাবাকে মেরে ফেলেছে। কিন্তু ঘর থেকে কোনও কিছুই খোয়া যায়নি। এতেই সন্দেহ হয় পুলিশের। যুবকের কথায় অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়। যে সময় এই ঘটনা হয় সেই সময়ে সে কোথায় ছিল তার কোনও সাক্ষী সে দেখাতে পারেনি। তারপরেই পুলিশ তাকে জেরা শুরু করে।

জানা গিয়েছে, অবশেষে জেরার সামনে ভেঙে পড়ে ওই যুবক। সব স্বীকার করে নেয় সে। যুবক জানায়, সে ভেবেছিল বাবা মারা গেলে সহানুভূতি দেখিয়ে তাকে চাকরি দেওয়া হবে। কারণ সেন্ট্রাল কোল ফিল্ডস লিমিটেডের নিয়ম অনুযায়ী কোনও কর্মী কাজ করতে করতে মারা গেল তাঁর আইনত উত্তরসূরি চাকরি পান। আর তাই এই কাজ করে সে। কিন্তু এখন তার জায়গা হয়েছে জেলে। যুবক একাই এই ঘটনা ঘটিয়েছিল নাকি এর পিছনে আরও কেউ যুক্ত আছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More