কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আট দফা গাইডলাইন প্রকাশ ইউজিসির, প্রয়োজনে বাড়বে ক্লাসের সংখ্যা, কমবে ছুটি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ করোনা সংক্রমণের জেরে গত মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন পাঠন। সম্প্রতি অবশ্য প্রায় ১০টি রাজ্যে শুরু হয়েছে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস। যদিও যারা ইচ্ছুক তারাই যাচ্ছে স্কুলে। এর জন্য স্কুলগুলিতে একাধিক ব্যবস্থা করতে হয়েছে। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক জানিয়েছেন, নভেম্বর মাস থেকে শুরু হবে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস। তার মধ্যেই এবার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নয়া গাইডলাইন প্রকাশ করল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন না ইউজিসি।

এতদিন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাসের অনেক ক্ষতি হয়েছে। শুধু থিওরি ক্লাস নয়, প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসও নেওয়া হয়নি। তার ফলে পাঠ্যক্রমের অনেকটাই বাকি রয়েছে। এই অবস্থায় ক্লাস শুরু হওয়ার পরে কী ভাবে কম সময়ের মধ্যে সিলেবাস শেষ করা সম্ভব তার জন্য একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে ইউজিসি। এর মধ্যে আট দফা নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

তিন পাতার এই গাইডলাইনে বলা হয়েছে, ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের পড়ুয়াদের পঠন পাঠনের ক্ষতি কমানোর জন্য যদি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় চায়, তাহলে সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস নিতে পারে। অর্থাৎ ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানোর অধিকার রয়েছে। এছাড়া আগামী দিনে ছুটির সংখ্যাও কমাতে পারে। তাহলে এই ক’দিনে যা ক্ষতি হয়েছে তা অনেকটাই পূরণ করা যাবে।

গাইডলাইনে জানানো হয়েছে, পয়লা নভেম্বর থেকেই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রথম বর্ষ বা প্রথম সেমেস্টারের ক্লাস শুরু করতে হবে। কিন্তু কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি ফলপ্রকাশ বা ভর্তি প্রক্রিয়ায় কিছুটা দেরি হয় তাহলে ক্লাস ১৮ নভেম্বরের পরে শুরু হতে পারে। সেক্ষেত্রে এই সময়ের মধ্যে অনলাইনে পঠন-পাঠনের কাজ চালাতে হবে।

কলেজগুলিতে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির প্রক্রিয়া অক্টোবরের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষা দিয়ে ভর্তির প্রক্রিয়া ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা বলা হয়েছে। ইউজিসি জানিয়েছে, প্রয়োজনে প্রভিশনাল অ্যাডমিশন করা যেতে পারে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে ভর্তি হয়ে ক্লাস শুরু করে দিতে পারে পড়ুয়ারা। দরকার হলে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের নথি যাচাই করে দেখতে পারে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। তবে যেহেতু করোনার ফলে দেশের অর্থনীতি বিপন্ন ও এই সময়ের মধ্যে অনেকের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হয়েছে, তাই যেসব ছাত্র-ছাত্রীদের আবেদন বাতিল হবে, তাদের আবেদনের পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে বলে জানিয়েছে ইউজিসি।

ইউজিসি জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে যে স্বাস্থ্যবিধি বলে দেওয়া হয়েছে সেগুলি মেনেই ক্লাস হবে। তবে পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে কিছু নিয়মে বদল করতে পারে। যদিও কোনও বদলের আগে তা ইউজিসিকে জানাতে হবে। অনুমতি দেওয়ার পরেই সেই বদল হবে। যদি ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয়, তাহলে ভর্তি প্রক্রিয়াতেও প্রয়োজন অনুযায়ী বদলের নির্দেশ দিয়েছে ইউজিসি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More