সুশান্তের মৃত্যুতে এইমসের রিপোর্ট পেশ, ‘সত্যি সবসময় সামনে আসে’, বললেন মুম্বইয়ের পুলিশ প্রধান

৪০

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুশান্ত সিং রাজপুতের খুন হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন দিল্লি এইমসের বিশেষজ্ঞরা। বরং ফরেনসিক টিম জানিয়েছে, আত্মহত্যা করেছেন অভিনেতা। গলায় ফাঁস লেগে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এইমসের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর গতকালই মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিং বলেছিলেন, “আমাদের ধারণাই সত্যি হল”। এবার পরমবীর বলেছেন যে, “সত্যি সবসময় প্রকাশ পায়। তদন্ত করে যা বলা হয়েছিল সেটাই পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে। আমরা সবসময় জানতে পারি যে বাস্তবটা আসলে কী ছিল।”

প্রসঙ্গত, গত শনিবার সিবিআইকে রিপোর্ট জমা দিয়েছে দিল্লি এইমসের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের দল। নিজেদের রিপোর্টে তারা জানিয়েছে, সুশান্ত খুন হয়েছেন বা বিষক্রিয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিনেতা আত্মহত্যা করেছেন। গলায় ফাঁস লাগার ফলে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে সুশান্তের। সমস্ত সম্ভাবনা ও তথ্যপ্রমাণ ভাল করে খুঁটিয়ে দেখে তদন্ত করে এই সিদ্ধান্তেই উপনীত হয়েছেন এইমসের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা। যদিও সিবিআই এখনও সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেয়নি।

এইমসের তরফে সিবিআইকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর গতকাল রবিবার মুম্বই শহরের পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিং বলেন, “কেউ কেউ তদন্তের কিচ্ছু না জেনে আমাদের নিশানা বানিয়ে ফেলেছিলেন। অথচ আমরা যেটা বলেছিলাম সেটাই প্রমাণিত হল। মুম্বই পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গেই তদন্ত করেছিল। আর কুপার হাসপাতালের চিকিৎসকরাও তাঁদের দায়িত্ব সঠিক ভাবেই পালন করেছিলেন। যদিও কিচ্ছু না জেনেই মুম্বই পুলিশকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল একদল লোক।”

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় সুশান্ত সিং রাজপুতের দেহ। মৃত্যুর পর কুপার হাসপাতালেই আনা হয়েছিল সুশান্তকে। সেখানেই তাঁর ময়নাতদন্ত হয়। রিপোর্টে বলা হয়েছিল গলায় ফাঁস লাগার ফলে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। মুম্বইয়ের কুপার হাসপাতালের করা ময়াতদন্তের রিপোর্টকেই সমর্থন করেছে এইমসের বিশেষজ্ঞদের টিম। প্রাথমিক ভাবে অভিনেতার মৃত্যুর তদন্তে নামে মুম্বই পুলিশ। তদন্তকারীরা জানান, সুশান্ত আত্মহত্যা করেছেন। যদিও একথা মানতে রাজি ছিলেন অভিনেতার পরিবার। বরং মুম্বই পুলিশের তদন্তকে একপেশে বলে দাবি করেন সুশান্তের বাবা এবং দিদিরা। এই নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয় এবং শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তভার দেওয়া হয় সিবিআইকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More