বুড়ো মিগের থেকেও উন্নত, গ্রিপেন যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য ভারতের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে সুইডেন

লাদাখ সংঘাতের আবহে আধুনিক প্রজন্মের গ্রিপেন যুদ্ধবিমানের প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে ভারতীয় বাহিনীর। তাই এবার দেশের প্রতিরক্ষা সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে যুদ্ধবিমান তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে সাব।

৩৮

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যুদ্ধবিমান তৈরির বরাত পেতে পারে সুইডিশ সংস্থা সাব। সুইডেনের তৈরি সিঙ্গল ইঞ্জিন মাল্টিরোল ফাইটার জেট গ্রিপেনের জন্য বহুদিন ধরেই আগ্রহ প্রকাশ করে আসছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। লাদাখ সংঘাতের আবহে আধুনিক প্রজন্মের গ্রিপেন যুদ্ধবিমানের প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে ভারতীয় বাহিনীর। তাই এবার দেশের প্রতিরক্ষা সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে যুদ্ধবিমান তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে সাব।

‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির আওতায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রেও নতুন নীতি নিয়েছে ভারত সরকার। সেই স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ নীতি অনুযায়ী, বিদেশ থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার বদলে, বিদেশি সংস্থাগুলিকে ভারতে এসে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের প্রস্তাব দিচ্ছে ভারত। তবে বিদেশি সংস্থাগুলি একক ভাবে ভারতে প্রোডাকশন ইউনিট খুলতে পারবে না, কোনও ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে যৌথ ভাবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন করতে হবে তাদের। সুইডেনের সংস্থা সাব জানিয়েছে, ভারতীয় প্রতিরক্ষা সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগেই গ্রিপেন যুদ্ধবিমান তৈরি করতে চায় তারা। ফাইটার জেট তৈরির পাশাপাশি, নতুন প্রযুক্তিও ভারতের সঙ্গে ভাগ করে নেবে সাব।

মিগের পুরনো ভার্সনগুলিকে বসিয়ে বিমান বহরের আধুনিকীকরণ করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশনের থেকে পাঁচটি রাফাল ফাইটার জেট ইতিমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মিগ-২৯ ফাইটার জেটের নতুন ভার্সন ও সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান কেনার জন্য রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। গ্রিপেনের মতো আধুনিক প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ভারতের হাতে চলে এলে বায়ুসেনার শক্তি আরও বাড়বে বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

সাব জাস ৩৯ গ্রিপেন হল সিঙ্গল ইঞ্জিন মাল্টিরোল ফাইটার জেট। ১৯৭৯ সাল থেকেই নতুন প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য উঠেপড়ে লাগে সুইডিশ সংস্থা সাব। পুরনো ভার্সনের সাব ৩৫ ড্র্যাকেন ও ৩৭ ভিগেনের বদলে ১৯৮৮ সাল থেকে গ্রিপেন তৈরির কাজ শুরু হয় সুইডিশ সংস্থায়। ১৯৯৬ সালে সুইডিশ এয়ার ফোর্সে যোগ দেয় গ্রিপেন যুদ্ধবিমান। মধ্য ইউরোপ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ গ্রিপেন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে।

গ্রিপেনের আপডেটেড ভার্সন হল গ্রিপেন এনজি বা সুপার জাস। মাঝ আকাশে তেল ভরার সুবিধা আছে এই ফাইটার জেটের। ফ্লাই বাই ওয়্যার ফ্লাইট কন্ট্রোল সিস্টেম (এফসিএস), জেনারেল ইলেকট্রিক এফ৪১৪জি, অ্যাকটিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে রেডার সিস্টেম রয়েছে নতুন প্রজন্মের গ্রিপেনে। চলতি বছরেই গ্রিপেনের ২৭১টি নতুন মডেল তৈরি করেছে সুইডিশ সংস্থা সাব।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More