এ কী! সরকারি শৌচালয়ের দেওয়ালে গান্ধীজির ছবি আঁকা টাইলস, বিতর্ক তুঙ্গে বুলন্দশহরে

১৪

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশ আছে উত্তরপ্রদেশেই!

বুলন্দ শহরের জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কয়েক মাস হল শৌচালয় তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় কয়েকশো শৌচাগার নির্মাণ হয়েছে। আর সেখানেই ঘটে গিয়েছে বিপত্তি। দেখা গিয়েছে সেই শৌচালয়ের দেওয়ালে যে টাইলস লাগানো হয়েছে তাতে আঁকা জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর মুখ এবং অশোক স্তম্ভ। একটি নয়। এমন একাধিক শৌচালয়ে লাগানো হয়েছে বাপুজির ছবি আঁকা টাইলস।

ইচ্ছাওয়াড়ি গ্রামের এই শৌচাগারের ছবি ছড়িয়ে পড়তেই তৈরি হয়েছে চরম বিতর্ক। নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন৷ ঘটনার যথাযথ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে উচ্চতর কর্তৃপক্ষ৷

স্থানীয় সরকারি দপ্তর সূত্রে খবর, ইচ্ছাওয়ারি গ্রাম ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় স্বচ্ছ ভারত অভিযানের আওতায় সর্বমোট ৫০৮টি শৌচালয় তৈরি হয়েছে৷ যার মধ্যে ১৩টি শৌচালয়ে এমন টাইলস ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে গান্ধীজি এবং অশোক চক্রের ছবি আঁকা রয়েছে৷ জানা গিয়েছে, কয়েক মাস হল এগুলি চালু হয়েছে। তাও নাকি কারও চোখেই পড়েনি। চুপ ছিলেন প্রশাসনের আধিকারিকরাও৷ কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি ভাইরাল হতেই টনক নড়ে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের৷ ইচ্ছাওয়ারি গ্রাম ও সংলগ্ন এলাকায় স্বচ্ছ ভারত অভিযানের দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিককে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার পঞ্চায়েত আধিকারিক অমরজিৎ সিং৷ তবে এমন ঘটনা কীভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের নজর এড়িয়ে গেল, সেই বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷ কারণ যখন কোনও সরকারি প্রকল্প হয়, তখন নিয়মিত তা দেখভাল করা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরই কর্তব্য।

উল্লেখ্য, ২০১৮-তে এমনই একটা ঘটনা নজরে আসে মধ্যপ্রদেশে৷ যেখানে অভিযোগ ওঠে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় নির্মিত বাড়িগুলিতে নরেন্দ্র মোদি এবং মধ্যপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের ছবি আঁকা টাইলস ব্যবহারের৷ এরপরই, নির্দিষ্ট ওই বাড়িগুলি থেকে সমস্ত টাইলস খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট৷ কিন্তু সেটা ছিল রাজনৈতিক প্রচারের উদ্দেশে। কারণ কয়েক মাস বাদেই বিধাওসভা ভোট ছিল ওই রাজ্যে। এখানে তা নয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More