অপরাধীদের মেরে ফেলা খুবই সহজ, এনকাউন্টার কাণ্ডে মন্তব্য তসলিমার

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হায়দরাবাদের তরুণী পশু চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত চার যুবককে এনকাউন্টারে গুলি করে মেরেছে হায়দরাবাদ পুলিশ। এই এনকাউন্টারে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাইবারাবাদের পুলিশ কমিশনার ভিসি সাজ্জানার। এই ঘটনার পরে দেশজুড়ে প্রশংসা শুরু হয়েছে। তার মধ্যেই কিছুটা অন্য সুরে কথা বলছেন কেউ কেউ। যেমন সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। তাঁর আবেদন অপরাধীদের না মেরে অপরাধ কমানোর চেষ্টা করা উচিত।

এদিনের ঘটনার পর তসলিমা নাসরিন বলেন, “অপরাধীদের মেরে ফেলাটা তো খুব সহজ। কিন্তু মানুষকে এমনভাবে শিক্ষিত করে তোলা, যাতে তাঁরা কখনওই অপরাধী না হয়ে ওঠেন, সেটা একেবারেই সহজ নয়। আমরা সহজ পথকেই বেছে নিই সবসময়।”

তসলিমার সুরেই কথা বলতে শোনা গিয়েছে বিজেপি সাংসদ ও মন্ত্রী মানেকা গান্ধী থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। মানেকা বলেন, “যা হয়েছে তা এই দেশের জন্য ভয়ানক। চাইলেই যাকে খুশি এভাবে মারতে পারা যায় না। আইন হাতে তুলে নিতে পারা যায় না। আদালতে তো অভিযুক্তদের ফাঁসিই হত।” মমতা বলেন, “দ্রুত বিচারের জন্য পশ্চিমবঙ্গে ৮৫টি ফাস্টট্র্যাক কোর্ট রয়েছে। বিচার ব্যবস্থায় গতি আনা দরকার। দ্রুত চার্জশিট পেশ করে আদালতে অভিযুক্তদের বিচার হওয়া দরকার। কোথাও আইন হাতে তুলে নেওয়া ঠিক হবে না। আদালতের মাধ্যমেই দোষিদের সাজা দেওয়া উচিত।”

আরও পড়ুন আইন হাতে তুলে নেওয়া ঠিক নয়, হায়দরাবাদ এনকাউন্টার ইস্যুতে মন্তব্য মমতার

অবশ্য এই চিন্তার বিপরীতেই মত বেশি। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে অভিনয় ও রাজনৈতিক জগতের বেশিরভাগ ব্যক্তিত্বই পুলিশের কাজের প্রশংসা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, পুলিশ যা করেছে সেটাই ঠিক। এই ধরনের দোষীদের এভাবেই সাজা দেওয়া উচিত। তবেই ধর্ষকদের মনে ভয় ঢুকবে। এরপরে কোনও অপরাধ করার আগে দশবার ভাববে তারা। মৃত্যুর ভয় ঢুকিয়ে দেওয়াটা দরকার ছিল। সাজ্জানার নেতৃত্বে হায়দরাবাদ পুলিশ সেই কাজই করেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More