‘ভারত টম্যাটো রপ্তানি বন্ধ করলে অ্যাটম বোমা মারবো’, হুঁশিয়ারি পাক সাংবাদিকের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে হামলার পর কেন্দ্র পাকিস্তানে উদ্‌বৃত্ত জল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। তার জবাবে পাকিস্তান বলেছে, এই জল বন্ধে তাদের কোনও সমস্যা হবে না। এ বার ভারতের কৃষকরা হুমকি দিয়েছেন, পাকিস্তানে আর টম্যাটো রপ্তানি করা হবে না। তার জবাবে এক পাক সাংবাদিক হুঁশিয়ারি দিলেন, টম্যাটো না দিলে ভারতকে অ্যাটম বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে।

১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে জইশ ই মহম্মদের আত্মঘাতী হামলায় ৪০ সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হন। তারপর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে সররকম সম্পর্ক ছিন্ন করার ডাক দিয়েছে নয়াদিল্লি। কূটনৈতিক ক্ষেত্রে পাকিস্তানকে একঘরে করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক দিক থেকেও পাকিস্তানের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

দু’দিন আগেই কেন্দ্রীয় জল সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি জানিয়েছেন, সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি অনুযায়ী শতদ্রু, বিয়াস ও রাভি নদীর যে উদ্‌বৃত্ত জল আগে পাকিস্তানে পাঠানো হত, তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। দেশজুড়ে কৃষকরা দাবি করেছেন, তাঁদের উদ্‌বৃত্ত ফসল তাঁরা আর পাকিস্তানে রপ্তানি করবেন না। ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ টম্যাটো রপ্তানি করা হয় পড়শি দেশে। সেই টম্যাটো রপ্তানিও বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

মধ্যপ্রদেশের এক কৃষক রবীন্দ্র পাতিদার জানিয়েছেন, “আমাদের পাঠানো টম্যাটো খেয়ে আমাদেরই জওয়ানদের উপর হামলা করছে পাকিস্তান। আমরা চাই, পাকিস্তানকে শেষ করে দেওয়া হোক। সরকারের উচিত অন্য দেশকেও বলা, যাতে তারা পাকিস্তানে কিছু রপ্তানি না করে।”

এই কথার জবাবেই এক পাক সাংবাদিক একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “এই টম্যাটো আমরা রাহুল ও মোদীর মুখে ছুড়ে মারব। ভারত খুব নীচ ও খারাপ কাজ করছে। সময় এসে গিয়েছে। আমরা টম্যাটোর জবাব দেব অ্যাটম বোমা দিয়ে।” নিজের সহজাত নাটকীয় ভঙ্গিতেই এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ওই সাংবাদিক।

কিন্তু এই হুঁশিয়ারিতে ভয় পাওয়া তো দূরের কথা, হাসির খোরাক হয়ে উঠেছেন ওই সাংবাদিক। নেটিজেনদের একটা বড় অংশ শুরু করেছে তাঁকে নিয়ে ট্রোল করা। কেউ বলছেন, এটা শতাব্দীর সেরা জোক। কেউ বলছেন, আর একটা জোক শোনান প্লিজ। কেউ বা আবার পাকিস্তানি টিভি চ্যানেল নিয়েই মন্তব্য করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই সব টিভি চ্যানেলগুলো ভারতীয়দের মজা দেওয়ার জন্যই খোলা হয়।

শুধু ভারতেরই নয়, পাকিস্তানেরও কেউ কেউ এই সাংবাদিকের করা মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দিন দিন কমেডি শোয়ে পরিণত হচ্ছে।

আরও পড়ুন

ভোল বদল পাকিস্তানের, মাসুদের ডেরাকে পড়াশোনার জায়গা বলল ইসলামাবাদ

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More