দিল্লি হিংসার ক্ষতিপুরণ আদায় করা হবে দাঙ্গাবাজদের থেকেই, সিদ্ধান্ত দিল্লি পুলিশের

এখনও পর্যন্ত যা খতিয়ান তাতে এই সংঘর্ষে ৭৯টি বাড়ি, ৫২টি দোকান, পাঁচটি গোডাউন, তিনটি কারখানা, চারটি মসজিদ ও দুটি স্কুল ভেঙে বা জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। গাড়ির সংখ্যা এখনও হিসেব করে ওঠা সম্ভব হয়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশ পুলিশের দেখানো পথেই হাঁটতে চলেছে দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছে, দিল্লিতে হিংসায় নষ্ট সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে দাঙ্গাবাজদের কাছ থেকেই। যারা এই ভাঙচুর করেছে তাদের চিহ্নিত করে জরিমানা কিংবা সম্পত্তি অধিগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

    ইতিমধ্যেই ক্রাইম ব্রাঞ্চের স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম ( সিট ) এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তা দিল্লি পুলিশের অন্যান্য শাখাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, দিল্লি সরকারের সঙ্গে কথা বলে ক্ষতির পরিসংখ্যান নিয়ে তারপরে এই ক্ষতিপূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সিট-এর তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, গত রবিবার রাতে থেকে দিল্লির উত্তর-পূর্ব অংশের জাফরাবাদ, কর্দমপুরী, করওয়াল নগর, মৌজপুর, ভজনপুরা, গোকুলপুরী প্রভৃতি এলাকায় যে সংঘর্ষ হয়েছে সেই কাজে কারা যুক্ত তাদের চিহ্নিত করতে হবে। তারপরে তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে।

    দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই এই সংঘর্ষের ঘটনায় যুক্ত থাকার ব্যাপারে ১০০০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। জানানো হয়েছে, এই হিংসায় ঠিক কী পরিমাণে সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে তার পরিসংখ্যানে সময় লাগবে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে কয়েকশ কোটি টাকার সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে। এই ক্ষেত্রে পূর্ব দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের সাহায্য নেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে।

    এখনও পর্যন্ত যা খতিয়ান তাতে এই সংঘর্ষে ৭৯টি বাড়ি, ৫২টি দোকান, পাঁচটি গোডাউন, তিনটি কারখানা, চারটি মসজিদ ও দুটি স্কুল ভেঙে বা জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। গাড়ির সংখ্যা এখনও হিসেব করে ওঠা সম্ভব হয়নি।

    এর আগে গত বছর ডিসেম্বর মাসে উত্তরপ্রদেশে নাগরিকত্ব আইন বিরোধী সংঘর্ষের ঘটনায় ৪০০ জনকে চিহ্নিত করে তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণের নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেই পথেই এবার হাঁটতে চলেছে দিল্লি পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More