হাথরস মামলা কি পাঠানো হবে এলাহাবাদ হাইকোর্টে, আজই ফয়সালা করতে পারে সুপ্রিম কোর্ট

হাথরসের নির্যাতিতার পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতেই মামলা উত্তরপ্রদেশ থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়েছে, হাথরস মামলার শুনানি প্রক্রিয়া এলাহাবাদ হাইকোর্টেই হওয়া উচিত।

২৭৬

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাথরস মামলা কি পাঠানো হবে এলাহাবাদ হাইকোর্টে! আজই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে শীর্ষ আদালত।

হাথরসের নির্যাতিতার পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতেই মামলা উত্তরপ্রদেশ থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়েছে, হাথরস মামলার শুনানি প্রক্রিয়া এলাহাবাদ হাইকোর্টেই হওয়া উচিত। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিবিআই) যে তদন্ত প্রক্রিয়া চালাচ্ছে তার তদারক করবে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এখনও অবধি এ বিষয়ে শীর্ষ আদালত কোনও নির্দেশ দেয়নি। আজ, মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে, বিচারপতি এ এস বোপান্না ও বিচারপতি ভি রামাসুব্রহ্মণমের বেঞ্চে।

হাথরস কাণ্ডের তদন্তভার রয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল তথা সিটের হাতে। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে এসপি-সহ পাঁচ পুলিশ কর্মীকে ইতিমধ্যেই বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে হাথরস গ্রামে এক ভয়ঙ্কর তাণ্ডবলীলা চালায় পুলিশ। তরুণীর মৃতদেহ জোরজবরদস্তি বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি গমের ক্ষেতের মধ্যে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। নির্যাতিতার পরিবার বাধা দিতে গেলে তাঁদের চূড়ান্ত হেনস্থার মুখে পড়তে হয়। পুলিশি হেনস্থার ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। দেখা যায়, নির্যাতিতার মা অ্যাম্বুলেন্সের উপর পড়ে বুকফাটা আর্তনাদ করছেন। পুলিশের ভ্যান ঘিরে দাঁড়িয়ে তরুণীর বাবা, দাদা ও গ্রামবাসীরা। সকলকে টেনে হিঁচড়ে ঘরে ঢুকিয়ে তালাবন্ধ করতেও দেখা যায় পুলিশকে। হাথরসের ঘটনার বীভৎসতা ও পুলিশের এমন কর্মকাণ্ডের পরে ক্ষোভের আগুন আরও বেড়ে যায়। প্রবল চাপের মুখে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে হাথরসের তদন্তভার তুলে দেয় যোগী আদিত্যনাথের সরকার।

সিবিআইয়ের তদন্তের খুঁটিনাটি যেন সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা হয়, সে আবেদন জানায় নির্যাতিতার পরিবার। শুধু তাই নয়, মামলার শুনানি দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার আবেদনও জানানো হয়। নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী ও সমাজকর্মী ইন্দিরা জয়সিং জানান, নিরপেক্ষ তদন্ত উত্তরপ্রদেশে সম্ভব নয়। তাই শীর্ষ আদালতই এই মামলার গতিপ্রকৃতি দেখুক। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনৌ বেঞ্চ ইতিমধ্যেই এই বিষয়টিকে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাই হাথরস কাণ্ডের শুনানি এলাহাবাদ হাইকোর্টে হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

বস্তুত, নির্যাতিতার পরিবারকে সবরকমভাবে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দেওয়া হবে বলে আদালতকে জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেটা বলেছেন, নির্যাতিতার পরিবারকে সুরক্ষা দিতে প্রতিশ্রতিবদ্ধ রাজ্য সরকার। তদন্তের গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More