রবিবার, অক্টোবর ২০

সোমবার চাঁদের বার, ‘বিক্রম’-এর জন্য শিবনের রাজ্যের মন্দিরে মন্দিরে প্রার্থনা

  • 190
  •  
  •  
    190
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চাঁদের মাটিতে ল্যান্ডার বিক্রমের হারিয়ে যাওয়ার পর বিষাদ নেমেছিল সারা দেশে। কিন্তু রবিবার দুপুরে বিক্রমের প্রাথমিক খোঁজ মেলার পর নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে শ্রীহরিকোটার ইসরোর সদরে। কিন্তু এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয় যোগাযোগ। এর মধ্যেই বিক্রমের সঙ্গে বিজ্ঞানীদের যোগাযোগের প্রার্থনা নিয়ে তামিলনাড়ুর মন্দিরে মন্দিরে শুরু হয়েছে ‘অভিষেকম।’ ইসরো চেয়ারম্যান কে শিবনের রাজ্যের একাধিক মন্দিরে মানুষের ঢল নেমেছে।

তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলার চন্দ্রনার মন্দিরের চেয়ারম্যান ভি কান্নান সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করার প্রারথনা নিয়ে এ দিন সকাল থেকে মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফেও আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ যজ্ঞের।”

তামিল সংস্কৃতি অনুযায়ী সোমবারকে তিঙ্গাল বলা হয়। ঠিক যে ভাবে উত্তর এবং পূর্ব ভারতে সোমবারকে শিবের বার বলে ধরা হয়, দক্ষিণের রাজ্যে এই সোমবার হল চাঁদের বার। কান্নান জানিয়েছেন, অন্যান্য দিনে ৫০০ লোক মন্দিরে এলে, সোমবার আসেন ৫হাজার লোক। আর এই সোমবার তাই চন্দ্রদেবতার কাছে তামিল জনতার প্রার্থনা, “বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দাও!”

চন্দ্রনার মন্দির ছাড়াও রাজ্যের একাধিক মন্দিরে বিক্রমের জন্য প্রারথনা চলছে এ দিন সকাল থেকে। কোথাও আবার পুজো দেওয়া চলছে ইসরো চেয়ারম্যানের নামে। শুক্রবার গভীর রাতে তখন গোটা দেশের চোখ বেঙ্গালুরুর শ্রীহরিকোটায় ইসরোর সদর দফতরে। অপেক্ষার প্রহর গোনা। এই বুঝি ঘোষণা হল, ‘চাঁদের মাটি ছুঁল ল্যাণ্ডার বিক্রম। কিন্তু তা হয়নি। বিষাদ নামিয়ে ইসরোর কন্ট্রোল রুম ঘোষণা করেছিল, ‘নো সিগন্যাল।’ তারপর শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জড়িয়ে ধরে ইসরো চেয়ারম্যানের কান্না, মোদীর জাতির উদ্দেশে ভাষণে হার না মেনে এগিয়ে চলার বার্তার পর রবিবার দুপুরে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ল্যাণ্ডার বিক্রমের খোঁজ পায় ইসরো। যদিও এখনও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। পুজো দিয়ে চলছে তারই প্রার্থনা।

Comments are closed.