রবিবার, নভেম্বর ১৭

ভিভিপ্যাটের পর এটিএম মেশিন, এ বার মিলল চার ফুটের কেউটে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর পাঁচটা স্বাভাবিক দিনের মতোই এটিএম-এ টাকা তুলতে গিয়েছিলেন এক গ্রাহক। কিন্তু মেশিনে কার্ড ঢোকানোর আগেই পিলে চমকে গেল ওই ব্যক্তির। এটিএম মেশিনের উপর ওটা কী বসে রয়েছে? অন্তত চার ফুট লম্বা একটা কেউটে। শান্তশিষ্টভাবে নয়, এক্কেবারে সটান ফণা তুলে বসে রয়েছে ওই কেউটে।

তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের একটি এটিএম-এ ঘটেছে এমন ঘটনা। সেখানকার থানীরপন্ডাল রোডের কাছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারে মেশিনের মধ্যে ঘাঁটি গেড়েছিল ওই কেউটে। চোখের সামনে ফণা তোলা কেউটে দেখে ভিরমি খাওয়ার জোগাড় হয়েছিল ওই গ্রাহকের। প্রাথমিক শক কাটিয়ে এটিএম-এর বাইরে দাঁড়ানো বাকি গ্রাহকদের গোটা ব্যাপারটা জানান তিনি। এরপর খবর দেওয়া হয় একজন ‘স্নেক ক্যাচার’-কে। খবর পাওয়ার খানিকক্ষণের মধ্যেই ওই এটিএম-এ পৌঁছে যান সাপ ধরার কর্মী। একটি লাঠি জাতীয় যন্ত্র (হুক হ্যান্ডেল টুল) দিয়ে সাপটিকে উদ্ধার করেন ওই কর্মী।

তবে আধুনিক যন্ত্রপাতির মধ্যে সাপদের আস্তানা গড়ার খবর নতুন নয়। কোয়েম্বাটোরের এই ঘটনার ঠিক আগের দিন ছিল তৃতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। আর সেদিন কেরলের একটি বুথের ভিভিপ্যাট মেশিন থেকে উদ্ধার হয়েছিল একটি সাপ। সেটি অবশ্য কেউটের মতো সাংঘাতিক বিষধর সাপ ছিল না। আয়তনেও ছিল বেশ ছোট। মানে বাচ্চা সাপ আরকি। কিন্তু তাতে কী! সাপ তো সাপই হয়। ভোট দিতে এসে ভিভিপ্যাট মেশনে সাপের দর্শন পেয়ে চমকে গিয়েছিলেন ওই ভোটার। ভয়ে-আতঙ্কে চিৎকার করে ছিটকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন বুথ থেকে। একই অবস্থা হয়েছিল ভোট কর্মী এবং দলীয় এজেন্টদের। সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায় ভোট গ্রহণ। শেষে বুথের বাইরে থাকা কয়েকজন ভোটারের সাহায্যেই উদ্ধার করা হয় ওই সাপটিকে। ফের চালু হয় ভোট গ্রহণ।

Comments are closed.