দিল্লিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান খোলা থাকবে ২৪ ঘণ্টা: অরবিন্দ কেজরিওয়াল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে ক্রমশ ত্রাস ছড়াচ্ছে নোভেল করোনাভাইরাস। দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৪৯। মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন খোদ এক চিকিৎসক। রাজধানী শহরের বিভিন্ন এলাকায় যে ‘মহল্লা ক্লিনিক’ থাকে সেখানকারই এক চিকিৎসকের শরীরে মিলেছে কোভিড ১৯ সংক্রমণের নমুনা। শুধু ওই ডাক্তার নন, তাঁর স্ত্রী-মেয়ের শরীরেও পাওয়া গিয়েছে করোনাভাইরাস।

    এরপর ওই ডাক্তারের সংস্পর্শে আসা অন্তত ৯০০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, সৌদি আরব থেকে ফেরা এক মহিলার সঙ্গে সম্প্রতি সাক্ষাৎ হয়েছিল এই চিকিৎসকের। সেখান থেকেই ছড়িয়েছে সংক্রমণ। দিল্লিতে এখন মোট আক্রান্ত ৩৬ জন। মৃত্যু হয়েছে একজনের। করোভাইরাসের সংক্রমণে দেশে দ্বিতীয় মৃত্যু হয়েছিল দিল্লিতে। রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে মারা গিয়েছিলেন বছর ৬৭-এর এক বৃদ্ধা। তাঁর ছেলে সদ্য সুইৎজারল্যান্ড থেকে ফিরেছিলেন। ওই যুবক কোভিড ১৯-এ সংক্রামিত হয়েছিলেন। চিকিৎসকরা জানান, ছেলের থেকেই আক্রান্ত হন মা।

    ইতিমধ্যেই করোনা সতর্কতায় দেশজুড়ে ২১ দিনে লকডাউন চলছে। বন্ধ রয়েছে রেল পরিষেবা। দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন জানিয়েছে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে তাদের পরিষেবাও। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সমস্ত দোকান ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে বলেই জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। পাশাপাশি সতর্কতাস্বরূপ দিল্লিবাসীকে আপাতত বাড়ি থেকে না বেরনোর পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

    অন্যদিকে ‘মহল্লা ক্লিনিক’-এর ডাক্তার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর আতঙ্ক বেড়েছে আমজনতার মধ্যে। সমস্ত ‘মহল্লা ক্লিনিক বন্ধের দাবি তুলেছিলেন দিল্লিবাসী। তবে কেজরিওয়াল সাফ জানিয়েছেন, কনও মহল্লা ক্লিনিক বন্ধ করা হবে না। কারণ এই ক্লিনিক থেকে সাধারণ মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পেয়ে থাকেন। তাই ‘মহল্লা ক্লিনিক’ বন্ধের কোনও প্রশ্নই নেই।

    বৃহস্পতিবারও দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরে মারা গিয়েছেন বছর ৬৫-র বৃদ্ধ। উপত্যকায় এটাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যু। ওই বৃদ্ধের সংস্পর্শে আসা ৪৮ জনকে কোয়ারান্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও গুজরাতে ৭০ বছরের এক ব্যক্তি মারা গিয়েছেন। এই নিয়ে গুজরাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৩। আর নভি মুম্বইতে দু’দিন আগে মারা গিয়েছিলেন এক মহিলা। আজ রিপোর্ট এলে জানা গিয়েছে তাঁরও মৃত্যু হয়েছে কোভিড ১৯ সংক্রমণেই। তবে এত আতঙ্কের মধতেও সুস্থ হয়েছেন ৪২ জন। ১৬ জন ভারতীয় নাগরিকের পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে দুই বিদেশি নাগরিকেরও। তাঁদের মধ্যে একজন ইতালীয় পর্যটক, যাঁর মৃত্যু হয়েছে জয়পুরে। অন্যজন ফিলিপিন্সের বাসিন্দা। ইনি মারা গিয়েছেন মুম্বইতে। দেশের সর্বকনিষ্ঠ আক্রান্তের বয়স মাত্র ৩ বছর। হায়দরাবাদের এই শিশু সদ্যই পরিবারের সঙ্গে সৌদি আরব থেকে ফিরেছে বলে খবর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More