অমিত শাহের বাড়ির দিকে শাহিনবাগের মিছিল, আটকে দিল পুলিশ, আলোচনা হলই না

মিছিল যেখানে আটকে দেওয়া হয় সেখানেই বসে পড়েন শাহিনবাগের আন্দোলনকারীরা। পরে বিকেল পৌনে চারটে নাগাদ ওই জায়গা থেকে ফিরে যান তাঁরা। ফলে আলোচনা আর হল না। 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’দিন আগেই একটি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, কেউ যদি তাঁর সঙ্গে সিএএ নিয়ে আলোচনা করতে চান তাহলে আলোচনার দরজা খোলা। গতকাল শাহিনবাগের আন্দোলনকারীরা জানিয়েছিলেন, তাঁরা দেখা করতে চান অমিত শাহের সঙ্গে। সেই মতো এদিন শাহিনবাগ থেকে মিছিল শুরু করেন কয়েকশো সংখ্যালঘু মহিলা। এগিয়ে যেতে থাকেন অমিত শাহের বাসভবনের দিকে। কিন্তু কিছুটা যাওয়ার পরই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ।

    পুলিশের তরফে বলা হয়, “আমরা আন্দোলনকারীদের বলেছি, আপনাদের প্রতিনিধিদলে কারা আছেন বলুন, তাঁদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছে দেব। কিন্তু ওঁরা জানিয়েছেন, ওঁদের সেই অর্থে কোনও প্রতিনিধিদল নেই।” আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনা চেয়েছিলেন। আমরা খোলাখুলি প্রকাশ্যে আলোচনা করতে চাই।”

    মিছিল যেখানে আটকে দেওয়া হয় সেখানেই বসে পড়েন শাহিনবাগের আন্দোলনকারীরা। পরে বিকেল পৌনে চারটে নাগাদ ওই জায়গা থেকে ফিরে যান তাঁরা। ফলে আলোচনা আর হল না।

    দিল্লির ভোট বিজেপি ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যাওয়ার পর থেকে দৃশ্যতই কিছুটা নরম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিষ্যুদবার একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে শাহ প্রস্তাব দিয়েছিলেন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে যদি কেউ তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতে চান, তাহলে স্বাগত। ৪৮ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রস্তাব লুফে নেন শাহিনবাগের আন্দোলনকারীরা।

    ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির শাহিনবাগে আন্দোলন চলছে। মূলত সংখ্যালঘু মহিলারাই সেই আন্দোলনের সামনের সারিতে। কোলে শিশু নিয়ে মায়েদের দেখা যাচ্ছে দিন-রাত এক করে ধর্নায় বসে থাকতে। দাবি একটাই, ধর্মের নিরিখে নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন বাতিল করতে হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More