বিজেপিতে যাচ্ছি না, সব জল্পনা উড়িয়ে বললেন শচীন পাইলট

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার সকালে হঠাৎ করেই নিজের অনুগামী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে দিল্লি চলে আসেন রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা সেখানকার কংগ্রেস সভাপতি শচীন পাইলট। তারপরেই শুরু হয় জল্পনা। কংগ্রেসের অন্দরেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি এবার জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার মতো কংগ্রেস ছাড়তে চলেছেন পাইলট। সোমবার বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে পাইলট দেখা করবেন বলেও শোনা যায়। তার মধ্যেই কংগ্রেস নেতা স্পষ্ট জানিয়েছে দিলেন, বিজেপিতে তিনি যাচ্ছেন না।

    সোমবার সকালে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে শচীন পাইলট বলেছেন, “বিজেপিতে আমি যাচ্ছি না।” পাইলটের এই মন্তব্যের পরে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে দিল্লিতে কেন এলেন পাইলট। কেনই বা রাজস্থানের বৈঠকে উপস্থিত থাকলেন না তিনি। কেন ৩০ বিধায়কের সমর্থন তাঁর কাছে রয়েছে বলে ভয় দেখালেন। তবে কি কংগ্রেস শীর্ষনেতৃত্বকে তিনি এই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, যে তাঁর কথা মেনে নিলে বিজেপিতে যাবেন না তিনি। অন্যভাবে কি চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন রাজস্থানের কংগ্রেস সভাপতি।

    এদিকে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ একটি বৈঠকের ডাক দিয়েছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য কংগ্রেসের তরফে হুইপ জারি করা হয়েছে। যদিও শচীন পাইলট ও তাঁর অনুগামীরা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন না বলেই খবর। ইতিমধ্যেই সেই বৈঠক শুরুও হয়ে গিয়েছে।

    শচীন পাইলট ভয় দেখালেও রাজস্থানে কংগ্রেস সরকারের কোনও ভয় নেই বলেই দাবি করা হয়েছে দলের তরফে। রবিবার গভীর রাত আড়াইটের সময় মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে কংগ্রেস দাবি করেছে, তাদের সঙ্গে ১০৯ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করে তাঁরা নাকি সেই কথা জানিয়েছেন। আজ সকালে আরও কিছু বিধায়ক চিঠিতে স্বাক্ষর করে সমর্থন করবেন বলেছেন।

    এই পরিস্থিতিতে বিজেপি ধীরে চলো নীতি নিয়েছে। পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখলেও এখনও পর্যন্ত আগ বাড়িয়ে কিছু বলতে যায়নি তারা। দলের এক নেতার কথায়, সোমবার সকালে রাজস্থানের বৈঠকেই ঠিক হয়ে যাবে শচীন পাইলট ও তাঁর অনুগামীদের নিয়ে কী ভাবছে রাজস্থান কংগ্রেস। তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সুবিধা হবে। যদিও বিজেপির আর এক নেতা জানিয়েছেন, মনস্থির নাকি করেই নিয়েছেন পাইলট। গেহলটের নেতৃত্বে তিনি নাকি আর থাকবেন না। তবে এই বিষয়ে কেউ এখনও কোনও বিবৃতি দেননি।

    অন্যদিকে আবার বিজেপির একটা সূত্র দাবি করেছে, শচীন পাইলট যে বিজেপি সভাপতির সঙ্গে দেখা করবেন, তা প্রায় নিশ্চিত। এই বৈঠকেই পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন পাইলট। মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এই মুহূর্তে নাকি পাইলটের সঙ্গেই রয়েছেন। তিনিই নাকি বন্ধু শচীনকে নিয়ে যাবেন নাড্ডার কাছে। পরিস্থিতি এমনই পরবর্তী কিছু ঘণ্টায় ফের বদল হতে পারে রাজস্থানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More