শুক্রবার, মে ২৪

‘ধর্ষণে অভিযুক্ত হয়ে নিখোঁজ’ বসপা প্রার্থীর হয়ে জোর প্রচার মায়াবতী-অখিলেশের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দলের নেতা থেকে শুরু করে দলীয় কর্মীরা পুরোদমে তাঁর হয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ দেখা মিলছে না প্রার্থীর। ১৫ দিন ধরে নিখোঁজ তিনি। কিন্তু কেন? আসলে তিনি লুকিয়ে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হওয়ার পর থেকেই আত্মগোপন করে আছেন তিনি। কিন্তু তাই বলে কি প্রচার বন্ধ থাকে। আর তাই বসপা প্রার্থী অতুল রাইয়ের সমর্থনে প্রচার করছেন বসপা নেত্রী মায়াবতী থেকে শুরু করে সপা নেতা অখিলেশ যাদব। সবাই আর্জি জানাচ্ছেন, ভোটে জিতিয়ে ফিরিয়ে আনা হোক অতুল রাইকে। ভোট জিতিয়েই জবাব দেওয়া হোক বিজেপির ষড়যন্ত্রের।

১ মে উত্তরপ্রদেশের ঘোসির বসপা প্রার্থী অতুল রাইয়ের বিরুদ্ধে বারাণসী থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন এক কলেজ ছাত্রী। তারপর থেকেই পলাতক প্রার্থী। কানাঘুঁষো শোনা যাচ্ছে, গ্রেফতারি এড়াতে মালয়েশিয়াতে পাড়ি দিয়েছেন প্রার্থী। ভোট মেটার পরেই দেশে ফিরবেন। প্রার্থীর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করেছে পুলিশ। কিন্তু তিনি না থাকলেও তাঁর প্রচার চলছে জোরকদমে। বুধবার সপা-বসপা জোটের একটি নির্বাচনী প্রচারে বসপা নেত্রী মায়াবতী অভিযোগ করেন, ইচ্ছে করে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে বিজেপি। মিথ্যা অভিযোগ করে ফাঁসানো হয়েছে অতুল রাইকে।

তাই এ দিনের সভা থেকে মায়াবতী ও অখিলেশ যাদব দু’জনেই নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, ভোটে জিতিয়ে এই প্রার্থীকে ফিরিয়ে আনতে। ভোটে জেতালে তবেই বিজেপির ষড়যন্ত্রের যোগ্য জবাব দেওয়া হবে বলে মনে করেন মায়া-অখিলেশ। এ দিনের প্রচারে বহেনজি বলেন, “অতুল রাইকে জেতানো আমাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। তবেই আমরা বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিতে পারব।” এক বসপা সমর্থকের কথায়, “আমরা প্রার্থীর হয়ে প্রচার করছি। কারণ উনি এখানে এলে গ্রেফতার হয়ে যেতে পারেন।”

অতুল রাইয়ের আইনজীবীরা অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেছেন, যাতে ২৩ মে পর্যন্ত তাঁর গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ জারি হয়। কিন্তু ১৭ মে এই আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা। অর্থাৎ কোনওভাবেই নিজের কেন্দ্রে প্রচার করতে পারবেন না প্রার্থী। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তাঁদের প্রার্থী জিতবেন জেনে বিজেপি এই ষড়যন্ত্র করেছে। কিন্তু তারপরেও তিনিই জিতবেন বলে মত তাঁদের।

আরও পড়ুন

বললেই হবে! কালকে বিদ্যাসাগর কলেজের ওখানে তৃণমূলের কেউ ছিলই না: মমতা

Shares

Comments are closed.