ইসলামাবাদের সঙ্গে আলোচনা হলে তা হবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে, হুঙ্কার রাজনাথের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক’দিন আগেই বলেছিলেন, “ভগবান করুন, এরকম প্রতিবেশী যেন কারও না হয়।” তখন সবে দিন দুয়েক হয়েছে ৩৭০ ধারা বিলোপের। এ বার ১২দিনের মাথায় পাকিস্তানের উদ্দেশে আরও কড়া বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। জানিয়ে দিলেন, “ইসলামাবাদের সঙ্গে যদি দিল্লিকে আলোচনাতে বসতে হয়, তাহলে সেটা হবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে। জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে নয়।”

চলতি বছরেই বিধানসভা ভোট রয়েছে হরিয়ানায়। সেই রাজ্যেই একটি জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন এই বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা। রাজনাথ স্পষ্ট করে দিয়ে বলেন, “ইসলামাবাদের সঙ্গে আলোচনা তখনই সম্ভব, যখন তারা সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ করবে।”

এ দিনের জনসভায় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী আন্তর্জাতিক মহলে দরজায় দরজায় কড়া নাড়ছে। তারা বলছে, ভারত ভুল করেছে। যদিও সবাই তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছে। পাকিস্তানের ‘বন্ধু রাষ্ট্র’ চিনের তরফে আবেদনের পরেই জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে আলোচনায় রাজি হয় রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ। যদিও কোনও প্রস্তাব উত্থাপন ছাড়াই শেষ হয় ওই বৈঠক। যা পাকিস্তানের কাছে ধাক্কা বলেই মনে করেন রাজনাথ। তাঁর কথায়, “পাকিস্তান বলতে গিয়েছিল জম্মু-কাশ্মীর ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিক বিষয়। ভারত একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদের বেশিরভাগ দেশ মনে করেছে, এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এখানে ইসলামাবাদের কোনও ভূমিকাই নেই।”

সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “কেউ কেউ বলছেন, ৩৭০ ধারা নিয়ে এই পদক্ষেপ দেশকে ভাগ করবে। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় বিজেপি। জাতীয় অখণ্ডতার সঙ্গে যুক্ত রাজনীতির উপরে আমরা জোর দিতে চাই। সেই কারণেই এই পদক্ষেপ করেছে সরকার।”

বস্তুত কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তে চাপে পড়ে গিয়েছে কংগ্রেসও। হরিয়ানার প্রবাদপ্রতিম কংগ্রেস নেতা ভূপেন্দ্র সিং হুডা এ দিন বলেন, “আমার দল ও আমার অনেক সহকর্মী ৩৭০ ধারা বিলোপের বিরোধিতা করছে। আমার মনে হয় তাতে কংগ্রেসের সমর্থন আরও ক্ষয় হচ্ছে।” রোহতকের সমাবেশ থেকে তিনি বলেন, “যখন দেশপ্রেম এবং জাতীয়তাবাদের প্রশ্ন আসে, তখন রাজনীতির উর্দ্ধে উঠতে হয়। সেখানে কোনও আপোস চলে না।” যদিও অনেকের মতে, রাজনাথ যা বলছেন, এ সব কিছুই হবে না। এ সবটাই আসলে রাজনৈতিক হাওয়া গরম রাখার কৌশল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More