মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫

দলের নেতাই অভিমান করে বেরিয়ে যান, রাহুলের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন সলমন খুরশিদ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সামনেই মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিপাকে কংগ্রেস। দলের মধ্যেই দেখা দিচ্ছে বিদ্রোহ। একের পর এক নেতারা প্রকাশ্যেই নেতৃত্বের সমালোচনা করছেন। এ বার সেই তালিকায় যোগ দিলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে প্রকাশ্যেই নেতৃত্বের সমালোচনা করলেন তিনি।

সাংবাদিক সম্মেলনে খুরশিদ বলেন, “আমাদের বড় সমস্যা আমাদের নেতাই অভিমান করে বেরিয়ে গেছেন।” কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকেই কটাক্ষ করে সলমন খুরশিদের এ হেন মন্তব্য বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। কিছুদিন আগে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন রাহুল। সেই বিষয়কেই এই মন্তব্যের মাধ্যমে খুরশিদ বোঝাতে চেয়েছেন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

এই সাংবাদিক সম্মেলনে দলের একাধিক বিষয়ে মুখ খোলেন খুরশিদ। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে দল যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাতে আগামী নির্বাচনে কংগ্রেস জয়লাভ করবে কি না তা নিয়ে নিশ্চিত নন তিনি। এমনকি কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বিগ্ন এই প্রবীণ নেতা। এ দিন খুরশিদ বলেন, লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর অভিমানে সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ান রাহুল গান্ধী। নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ খতিয়ে দেখারও সুযোগ হয়নি দলের। দলের মধ্যে যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করা সনিয়া গান্ধীর একার পক্ষে সম্ভব নয়, তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন সলমন খুরশিদ। যে পরিস্থিতিতে দলের বর্ষীয়ান নেতাদের দলের সঙ্গে থাকা দরকার সেই পরিস্থিতিতে এই অন্তর্কলহের ফলে দলের আখেরে ক্ষতি হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন খুরশিদ।

অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে বিধানসভা নির্বাচন এই দুই রাজ্যে। মহারাষ্ট্রের ২৮৮ ও হরিয়ানার ৯০টি আসনে ভোট হবে। ইতিমধ্যেই ভোট প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু পছন্দের টিকিট না মেলায় দলের মধ্যেই উঠেছে প্রশ্ন। মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা সঞ্জয় নিরুপম ইতিমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন দল ছাড়ার। হরিয়ানার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অন্তর্কলহের অভিযোগ তুলে ইস্তফা দিয়েছেন অশোক তানওয়ার। নির্বাচনী প্রচারও বয়কট করছেন অনেক তারকা নেতারা। এ বার মুখ খুললেন সলমন খুরশিদও।

 

Comments are closed.