ট্রাম্পকে টেলিফোনে মোদী: ভারতের বিরুদ্ধে অতি উগ্র ভাষায় হিংসায় উস্কানি দিচ্ছেন কিছু আঞ্চলিক নেতা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় এই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় সূত্রে বলা হচ্ছে, ওই কথোপকথনে ট্রাম্পকে মোদী এ দিন স্পষ্টতই জানান, ভারতের বিরুদ্ধে হিংসায় ঘটনায় উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। আঞ্চলিক শান্তি পরিবেশের জন্য যা বিপজ্জনক।

    কাশ্মীর প্রশ্নে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে দু’দিন আগে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছিল। ওই বৈঠকের আগে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। তার পর হোয়াইট হাউসের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের উত্তেজনা কমাতে পাক প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আলোচনার মাধ্যমে বিবাদ মীমাংসার পক্ষেই তিনি মত দিয়েছেন।

    এর পরই সোমবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে কথা হয় ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। পরে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে দু’জনের আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা হয়েছে তাঁদের। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আঞ্চলিক পরিস্থিতির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, অতি উগ্র ভাষায় ভারতের বিরুদ্ধে হিংসায় উস্কানি দিচ্ছেন কিছু নেতা। যা শান্তি পরিবেশের পরিপন্থী।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, এ কথা বলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও সে দেশের বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশির মতো নেতার কথা বোঝাতে চেয়েছেন মোদী। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর যাঁরা লাগাতার ভারতের বিরুদ্ধে হুমকি, হুঁশিয়ারি এমনকী সামরিক অভিযানের কথা বলছেন।

    কেন্দ্রের ওই বিবৃতিতে এও জানানো হয়েছে, সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যাতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ পরিস্থিতি গড়ে তোলা যেতে পারে এবং যাতে দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক শান্তি কায়েম করা যায়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More