একগাল দাড়ি, গৃহবন্দি ওমর আবদুল্লাকে চেনাই দায়

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা প্রত্যাহারের সময় থেকে তিনি গৃহবন্দি। সেই তিনি কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লার ছবি ভাইরাল হয়ে গেল সোশ্যাল মিডিয়ায়। একগাল কাঁচা-পাকা দাড়ি, নীল জ্যাকেট আর মাথায় টুপি পরিহিত সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রথমে ঠাওর করতে পারলেন না ওমর বলে।

এদিন টুইট করে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “এই ছবিতে আমি ওমরকে চিনতেই পারিনি। আমার ভীষণ খারাপ লাগছে। দুর্ভাগ্য আমাদের গণতান্ত্রিক দেশে এখন এটাই চলছে। এর শেষ কবে?”

ওমর আবদুল্লা মানে ক্লিন সেভড ঝকঝকে লুক। এতদিন পর্যন্ত সেটা দেখতেই অভ্যস্ত ছিল দেশবাসী। কিন্তু এই ছবি দেখে অনেকেই আঁতকে উঠেছেন। অনেকে টুইট করে লিখেছেন, “ওমরের এই ছবি দেখলেই বোঝা যাচ্ছে কাশ্মীরের আসল অবস্থাটা কী!”

 

কাশ্মীরের নেতাদের বন্দি রাখা নিয়ে বিরধীদের অভিযোগ, সরকার ওখানে বন্দুকের জোরে সব কিছু করছে। ওমরের বাবা তথা কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা এখন সাংসদ। বন্দি থাকার কারোনে শীতকালীন অধিবেশনে যোগ দিতে পারেননি। ওই সময়ে কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা অধীর চৌধুরী শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন লোকসভায়। প্রশ্ন তুলেছিলেন ফারুক কোথায়? জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, “মস্তিতেই আছেন ফারুক। বন্দুক ঠেকিয়ে ওঁকে সংসদের অধিবেশনে আনতে পারব না।”

মেরিকার বিদেশ দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিভাগের সহকারী সচিব অ্যালিস ওয়েলস সম্প্রতি ‘রাইসিনা ডায়লগ’-এ যোগ দিতে তিনি দিল্লি এসেছিলেন। ওয়াশিংটনে ফিরে গিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “ভারত সরকার সেখানে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবা আংশিক চালু হয়েছে।” মার্কিন দূত ও অন্যান্য বিদেশি কূটনীতিকদের যেভাবে কাশ্মীরে যেতে দেওয়া হয়েছে, তাকেও ‘সঠিক পদক্ষেপ’ বলে তিনি মনে করেন। এরপরে তিনি বলেন, “আমরা সরকারকে বরাবর বলে এসেছি, যে রাজনৈতিক নেতাদের নামে নির্দিষ্ট অভিযোগ নেই তাঁদের দ্রুত মুক্তি দিন।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More