চিদম্বরমের ফোন শচীনকে, দিলেন পরামর্শ

১১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের অনেক নেতাই ঘরোয়া আলোচনায় বলেছিলেন, আর বোধহয় রাজস্থানের বিদ্রোহী নেতা শচীন পাইলটকে ঘরে ফেরানো যাবে না! কিন্তু কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব যে এখনও শচীন পাইলটকে দলে রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তা স্পষ্ট হয়ে গেল প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা চিদম্বরমের কথাতেই।

চিদম্বরম সংবাদমাধ্যমের কাছে এ কথা স্বীকার করে নিয়েছেন যে, তাঁর সঙ্গে একাধিক বার ফোনে কথা হয়েছে শচীন পাইলটের। এমনকি বৃহস্পতিবার রাতেও কথা হয়েছে রাজস্থানের এই তরুণ নেতার সঙ্গে। বিদ্রোহী শচীনকে একাধিক পরামর্শ দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন চিদম্বরম।

কী বলেছেন চিদম্বরম?

ফোনে শচীনের সঙ্গে তাঁর কী কথা হয়েছে তার সবটা না বললেও মূল নির্যাসটা সংবাদমাধ্যমের কাছে গোপন করেননি চিদম্বরম। তিনি জানিয়েছেন, “আমি ওঁকে (পড়ুন শচীন পাইলটকে) বলেছি, দল তোমায় প্রকাশ্যে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছে সমস্ত বিষয় নিয়ে কথা বলবে। আলোচনা করবে। এই সুযোগটা তুমি কাজে লাগাও।” গতকাল সংবাদসংস্থা পিটিআই শচীন ঘনিষ্ঠদের একটি সূত্র উল্লেখ করে বলেছিল, সদ্য পদচ্যুত রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রী ঘরোয়া আলোচনায় জানিয়েছেন, দক্ষিণ ভারতীয় এক নেতা তাঁর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে কথা বলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শও দিয়েছেন। তার সঙ্গে চিদম্বরমের এই বক্তব্য মিলে যাচ্ছে।

গত কয়েক দিন ধরেই টানটান নাটক চলছে মরুরাজ্যে। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার শচীনকে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। শচীনের অনুগামী দুই মন্ত্রীও পদচ্যুত হন। তারপর শচীন টুইট করে বলেন, “যারা সত্যের পথে থাকে তাদের হেনস্থা করা যায় ঠিকই কিন্তু তা বলে সত্যকে পরাজিত করা যায় না।” প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন, রাজস্থানেও বুঝি মধ্যপ্রদেশ মডেল হতে চলেছে। ভোপালের গদি ওল্টানোর ক্ষেত্রে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া যে ভূমিকা নিয়েছিলেন, শচীনও হয়তো জয়পুরে একই ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন। যদিও আপাতত শচীন বলেছেন, তিনি বিজেপিতে যাচ্ছেন না। গান্ধী পরিবারের সামনে তাঁকে খাটো করতেই তাঁর গেরুয়া-যোগের ব্যাপারে নানান কথা হাওয়ায় ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

তবে এসবের মধ্যেই আজ জয়পুর হাইকোর্টে পাইলট বাহিনীর দায়ের করা মামলার শুনানি রয়েছে।  বুধবার রাজস্থানের বিদ্রোহী বিধায়কদের নোটিস পাঠিয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকার সি পি যোশি। তাতে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কেন বিধায়ক পদ খারিজ করা হবে না। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার ওই নোটিসের বিরুদ্ধে রাজস্থান হাইকোর্টে যান বিদ্রোহী নেতা শচীন পাইলট ও তাঁর অনুগামীরা। তাঁদের হয়ে সওয়াল করবেন প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতগি। ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল হয়েছিলেন। অন্যদিকে স্পিকারের হয়ে সওয়াল করবেন দলের নেতা অভিষেক মনু সিংভি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More