বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯

ডিনারে রুটি-সবজি, সকালে হালকা ব্রেকফাস্ট দিয়ে শুরু চিদম্বরমের তিহাড়-পর্ব

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার সিবিআই বিশেষ আদালতের নির্দেশে তিহাড় জেলে পাঠানো হয়েছে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরমকে। জেল সূত্রে খবর রাতে জেলের সাধারণ খাবার খেয়েছেন তিনি। সকালে হালকা ব্রেকফাস্ট দিয়ে শুরু হয়েছে চিদম্বরমের জেলপর্ব।

গতকালই জানানো হয়েছিল, সাত নম্বর জেলে রাখা হবে চিদম্বরমকে। সেখানেই রাতে ভাত, রুটি, সবজি ও ডাল দেওয়া হয় তাঁকে। জেলের দেওয়া খাবারই খেয়েছেন বর্ষীয়ান এই নেতা। শুক্রবার সকালে তিনি হালকা ব্রেকফাস্ট করেছেন। জেল সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত কোনও রকম সমস্যার কথা জানাননি চিদম্বরম।

জেলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিদম্বরমের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পাওয়ায় একটি আলাদা সেলে রাখা হবে তাঁকে। থাকবে তাঁর দরকারি ওষুধপত্র। এ ছাড়াও একটি ওয়েস্টার্ন টয়লেটও পাবেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। জেলের নিয়ম অনুযায়ী কয়েদিদের মাটিতেই শুতে হয়। কিন্তু বয়স্ক কয়েদিদের গদি ছাড়া তক্তপোশ দেওয়া হয়। চিদম্বরমকেও তক্তপোশ দেওয়া হবে ঘুমনোর জন্য।

জানানো হয় জেলের কয়েদিদের জেলের খাবার দেওয়া হলেও চিদম্বরম যেহেতু দক্ষিণ ভারতীয় খাবার বেশি পছন্দ করেন, তাই তিনি চাইলে জেলের ক্যান্টিন থেকে খাবার আনিয়ে খেতে পারেন। কিন্তু ব্রেকফাস্ট বা লাঞ্চ-ডিনার জেলের সময় অনুযায়ীই করতে হবে তাঁকে। জলের ক্ষেত্রে তিনি চাইলে জেলের রিজার্ভার থেকে খেতে পারেন। নইলে ক্যান্টিন থেকে মিনারেল ওয়াটার আনিয়েও খেতে পারেন।

আরও জানানো হয়, জেলের কয়েদিরা সাধারণত বাড়ি থেকে পাঠানো পোশাক পরেন। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও এই একই নিয়ম থাকবে। এ ছাড়া অন্যান্য কয়েদিদের মতোই তিনি জেলের লাইব্রেরি ব্যবহার করতে পারেন। টেলিভিশন দেখার ব্যবস্থাও রয়েছে অন্য কয়েদিদের মতোই।

তিহাড়ের এই সাত নম্বর জেলেই চিদম্বরমের ছেলে কার্তিকে রাখা হয়েছিল। গত বছর ১২ দিন এই জেলে কাটিয়েছেন তিনি। চিদম্বরমকেও ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Comments are closed.