করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে, ভয় পাবেন না, ইন্দোরের বাসিন্দাদের আর্জি শিবরাজ সিং চৌহানের

“ইন্দোরের মানুষের ভয় পাওয়ার কোনও দরকার নেই। আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে। কেউ যদি না জানতে পারেন তিনি কোভিড ১৯ পজিটিভ কিনা, তাহলে তিনি নিজের সঙ্গে আরও অনেকের সংক্রমণের সম্ভাবনা তৈরি করছেন। তাই আমরা ধরে ধরে পরীক্ষা করাচ্ছি। এর ফলে করোনা নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হবে।”

২১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে করোনা আক্রান্ত রাজ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম মধ্যপ্রদেশ। এই রাজ্যে আক্রান্তের নিরিখে মৃত্যুর হার অন্য রাজ্যের তুলনায় বেশি। মধ্যপ্রদেশের মধ্যে সবথেকে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা ইন্দোরে। এই আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই ইন্দোরের বাসিন্দাদের জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। কিন্তু তাতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলেই বক্তব্য তাঁর। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বেশি পরীক্ষা হচ্ছে বলেই বেশি আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

বুধবার শিবরাজ জানান, “ইন্দোরের মানুষের ভয় পাওয়ার কোনও দরকার নেই। আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে। কেউ যদি না জানতে পারেন তিনি কোভিড ১৯ পজিটিভ কিনা, তাহলে তিনি নিজের সঙ্গে আরও অনেকের সংক্রমণের সম্ভাবনা তৈরি করছেন। তাই আমরা ধরে ধরে পরীক্ষা করাচ্ছি। এর ফলে করোনা নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হবে।”

মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ইন্দোরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪২৭। এই শহরে মৃত্যুর হার ৬.৮ শতাংশ যা দেশের অন্য যে কোনও জায়গার থেকে বেশি। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগে পরীক্ষা করার কোনও যন্ত্রই ছিল না। ২৩ মার্চ পর্যন্ত আমরা কোনও পরীক্ষা করতে পারিনি। এখন ৯টি ল্যাবরেটরি রয়েছে। আমরা দিল্লিতেও নমুনা পাঠাচ্ছি। আর তাই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।”

এই প্রসঙ্গে চিফ মেডিক্যাল ও হেলথ অফিসার প্রবীণ জাদিয়া বলেন, ইন্দোরে নতুন যাঁরা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁরা বেশিরভাগই আগের আক্রান্তদের আত্মীয়। যাঁরা নতুন আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদের ইতিমধ্যেই আমরা কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়ে দিয়েছি। এখনও পর্যন্ত ৩৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

শিবরাজ সিং চৌহান আরও জানিয়েছেন, মধ্যপ্রদেশের যেসব শ্রমিক অন্য রাজ্যে আটকে রয়েছেন তাঁদের জন্য টাকা পাঠানো হবে। তিনি বলেন, “মধ্যপ্রদেশের অনেক শ্রমিক অন্য রাজ্যে আটকে রয়েছেন। লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর ফলে তাঁরা ফিরতে পারছেন না। আমরা সেইসব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁদের থাকা-খাওয়ার কোনও সমস্যা হবে না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, প্রত্যেককে ১০০০ টাকা করে পাঠানো হবে। যখন তাঁরা চাইবেন, তাঁরা সেই টাকা তুলে নিতে পারবেন।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More