হিংসা মুক্ত উপত্যকা, ৬ দিনে একটাও গুলি চলেনি: জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ প্রধান দিলবাগ সিং

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি মাসের মধ্যে জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করছে কেন্দ্র। রাজ্য পুলিশের প্রধান দিলবাগ সিং জানিয়েছেন, সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপের পর থেকে উপত্যকায় উত্তেজনা ছিল ঠিকই, তবে হিংসার ঘটনা ঘটেনি। মোটের উপর গত ৬ দিনে একটাও গুলি চলেনি কাশ্মীরে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে।

    সোমবার ইদ। তার আগে টেলিফোন, মোবাইল, ইন্টারনেট-সহ যোগাযোগ মাধ্যমের উপর থেকে সাময়িক ভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে কেন্দ্র। খুলেছে স্কুল-কলেজ। কার্ফুর কবলে থাকা কাশ্মীর যাতে ইদ উদ্‌যাপন করতে পারে এবং প্রবাসী কাশ্মীরিরা বাড়ি ফিরে আসতে পারে সে জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সরকারি নির্দেশে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের প্রধান দিলবাগ সিংয়ের কথায়, “গত ক’দিনে বড় কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি। এমনকি পরিস্থিতি স্বাভাবিক দক্ষিণ কাশ্মীরেও। সোমবার ইদের আগে রাজ্যের আরও কিছু জায়গায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।”

    জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তরফেও টুইট করে জানানো হয়, “রাজ্য এখন হিংসা মুক্ত। অযথা গুজব বা উস্কানিমূলক কথাবার্তায় কান দেবেন না। ”

    গত কাল রাজ্যের কোনও কোনও প্রান্তে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের খবর এসেছিল। সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের ঘটনা শোনা গিয়েছিল শৌরা এলাকায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেছিলেন, একটি সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, ১০ হাজার মানুষ নাকি পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সে এই খবর প্রকাশিত হয়েছিল। দাবি করা হয়েছিল পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলিতেও।  এটা সম্পূর্ণই মনগড়া। শ্রীনগর ও বারামুলায় বিক্ষিপ্ত কয়েকটি বিক্ষোভ হয়েছে বটে কিন্তু কোথাও ২০ জনের বেশি তাতে অংশ নেয়নি।

    কাশ্মীরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই পথে নেমেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। গত মঙ্গলবারই কাশ্মীরে চলে যান তিনি। তারপর থেকে দেখা গিয়েছে কখনও তিনি রাজ্যপালের সঙ্গে কখনও বিএসএফ বা সিআরপিএফ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কখনও আবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাঁদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন। শনিবারও তাঁকে দেখা গেছে, অনন্তনাগে ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতে।

    এর আগে কাশ্মীরের জঙ্গি সমস্যা সমাধানে ভূমিকা নিয়েছিলেন ডোভাল। মিজোরামের উগ্রপন্থাকে খতমেও তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। পাকিস্তানে ভারতের হয়ে চরবৃত্তি করার মতো ঝুঁকির কাজও করেছেন দীর্ঘদিন। পর্যবেক্ষকদের মতে, এ হেন পোড় খাওয়া ডোভালের চোখ দিয়েই এখন উপত্যকাকে দেখতে চাইছেন নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ। উপত্যকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তাঁর কাঁধেই।

    আরও পড়ুন:

    কাশ্মীরের অঘোষিত শাসক এখন ডোভাল, উপত্যকায় শান্তি ফেরানোর দায়িত্ব তাঁরই

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More