তাজ মহলের পার্কিং লটে পেল্লায় পাইথন! আতঙ্কে হুড়োহুড়ি পর্যটকদের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাজ মহলের পার্কিং লটে পাইথন! খবর ছড়াতেই আতঙ্কে চিৎকার, দৌড়োদৌড়ি শুরু হয়ে যায়। অধিক কৌতুহলীরা পাইথন দেখতে ভিড়ও জমান। ন’ফুটের পাইথনটি কুন্ডলী পাকিয়ে পার্কিং লটের পাশেই ইট-পাথরের খাঁজে আস্তানা গেড়েছিল। এত মানুষের হইহই শুনে সেটিও নড়াচড়া শুরু করে। তাতে আতঙ্ক আরও বাড়ে। শেষে ওয়াইল্ড লাইফ এসওএসের কর্মীরা পৌঁছে উদ্ধার করেন পেল্লায় পাইথনটাকে।

    ঘটনার সূত্রপাত শনিবার বিকেলের দিকে। তাজ মহলের পার্কিং লটের ঠিক পাশেই নির্মাণ কাজ চলছিল। স্তূপাকার ইট-পাথরের কংক্রিটের মধ্যেই নিশ্চিন্তে ঘাপটি মেরেছিল ওই পাইথন। সেটা নজরে পড়ে এক জন মজুরের। অসাবধানতায় তিনি ওই পাইথনের কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। তারপর নীচের দিকে নজর পড়তেই তারস্বরে চিৎকার ‘সাপ! সাপ’ ততক্ষণে ছুটে এসেছেন বাকি মজুররাও। তাঁদের কথায়, কোনওভাবে যদি ওই পাইথন তার নাগপাশে আবদ্ধ করত ওই মজুরকে, তাহলে মৃত্যু ছিল নিশ্চিত।

    ওয়াইল্ড লাইফ এসওএসের সিইও কার্তিক সত্যনারায়ণ বলেছেন,  “এটি পাহাড়ি পাইথন যাকে আমরা রক পাইথন বলে থাকি। এত মানুষের ভিড়ে আর চেঁচামেচিতে এত বড় একটা পাইথনকে কব্জা করা সহজ ছিল না। পুলিশ এসে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে। তারপরেই আমরা সাপটিকে উদ্ধার করি।” তিনি জানিয়েছেন, অনেক সময় ভয় আর আতঙ্কের কারণে মানুষজন সাপের গায়ে পাথর ছুড়তে থাকে। ফলে তারা মারাত্মকভাবে জখম হয়। এই জাতের পাহাড়ি পাইথন সাধারণত লোকালয় আসে না। কোনও ভাবে জনবসতি এলাকায় ঢুকে পড়লে তাদের মেরে ফেলা হয় বা জখম করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    আগরা পুলিশের সাব-ইনস্পেকটর অশোক কুমার জানিয়েছেন, পাইথনটিকে ওয়াইল্ড লাইফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, “ঠিক সময় খবর না পেলে বিপদ হতে পারত। জন মজুরদের কেউ আক্রান্ত হতে পারতেন অথবা পাইথনটিকে জখম করত উত্তেজিত জনতা।”

    স্যার, খুন আমি করেছি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More