চিনের নির্দেশেই ভারত বিরোধিতা করছে নেপাল, সতর্ক করলেন সেনাপ্রধান

গত শুক্রবার ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে ৮০ কিলোমিটার লম্বা এই রাস্তার উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এই রাস্তা উত্তরাখণ্ডকে হিমালয়ের লিপুলেখ পাসের সঙ্গে যুক্ত করে। ১৮১৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী এই লিপুলেখ পাস নেপালের অন্তর্গত। কিন্তু নেপাল দাবি করেছে কালাপানি সংলগ্ন এলাকাও তাদের। এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ভারত।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক সপ্তাহ আগেই উত্তরখণ্ডের উপর রাস্তা তৈরির বিরোধিতা করেছে নেপাল। এই ঘটনার পিছনে চিনের হাত রয়েছে বলেই সতর্ক করলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান এম এম নারাভানে। তাঁর বক্তব্য, চিনের নির্দেশেই এই বিরোধিতা করছে নেপাল। তাদের আগে করে পিছন থেকে মজা দেখছে চিন।

    শুক্রবার দিল্লিতে প্রাক্তন ও প্রয়াত প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর নামাঙ্কিত মনোহর পরিক্কর ইনস্টিটিউট ফর ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালিসিসে একটি অনলাইন কনফারেন্সে এই মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, দিল্লি ও কাঠমান্ডুর মধ্যে সম্পর্ক উত্তপ্ত করছে বেজিং। নারাভানে বলেন, “আমি বুঝতে পারছি না ঠিক কী কারণে নেপাল বিরক্ত হচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে মনে হচ্ছে এই সবকিছুর পিছনে তৃতীয় কোনও পক্ষের নির্দেশ রয়েছে। আর সেই তৃতীয় পক্ষ হচ্ছে চিন।”

    এদিন উত্তরাখণ্ডে তৈরি রাস্তার ব্যাপারে নারাভানে বলেন, “কালি নদীর পূর্বদিকের এলাকা নেপালের। আমরা যে রাস্তা বানিয়েছি তা কালি নদীর পশ্চিম দিকে। তাহলে নেপালের আপত্তির কোনও কারণ থাকে না।”

    গত শুক্রবার ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে ৮০ কিলোমিটার লম্বা এই রাস্তার উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এই রাস্তা উত্তরাখণ্ডকে হিমালয়ের লিপুলেখ পাসের সঙ্গে যুক্ত করে। ১৮১৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী এই লিপুলেখ পাস নেপালের অন্তর্গত। কিন্তু নেপাল দাবি করেছে কালাপানি সংলগ্ন এলাকাও তাদের। এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ভারত।

    আরও পড়ুন লকডাউনে আজান চলবে, কিন্তু মাইক ব্যবহার নয়, রায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    এই রাস্তা উদ্বোধনের পরেই নেপালের বিদেশমন্ত্রী ভারতের এই কাজের নিন্দা করেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত ভারত ও নেপাল দু’দেশের মধ্যে সমস্যা তৈরি করবে। সীমানা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান সবসময় আলোচনার মাধ্যমেই হয়। নেপালে থাকা ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকেও ডেকে পাঠান তিনি।

    এদিন সেনাপ্রধান আরও বলেন, গত কয়েক দিনে চিনের কার্যকলাপ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, নেপালের পিছনে কে শক্তি যোগাচ্ছে। কয়েক দিন আগেই লাদাখ ও সিকিমে চিনের সৈন্যদের সঙ্গে লড়াই হয়েছে ভারতীয় জওয়ানদের। তবে সেই ঘটনাকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ নারাভানে। তিনি বলেন, “আমরা প্রতিদিন ১০টি জায়গায় চিনের মুখোমুখি হচ্ছি। এক-দু’জায়গায় সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু বাকি জায়গাগুলিতে সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে। এটা সময়ে সময়ে হয়। যখন কোনও জায়গায় নেতৃত্ব বদল হয়, তখনও এই ধরনের ঘটনা দেখা যেতে পারে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More