বিহারে মোট করোনা আক্রান্তের এক তৃতীয়াংশ একই পরিবারের সদস্য

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারে করোনা আক্রান্তদের এক তৃতীয়াংশ একই পরিবারের সদস্য। জানা গিয়েছে, বিহারের সিওয়ান জেলার বাসিন্দা এই পরিবারের সদস্যরা। এই পরিবারের এক সদস্য মার্চ মাসে ওমান থেকে দেশে ফিরেছিলেন। তাঁর থেকে মূলত সংক্রমণ ছড়ানো শুরু হয়।

১৬ মার্চ ওমান থেকে ভারতে আসেন ওই ব্যক্তি। ৪ এপ্রিল টেস্ট করার পর দেখা যায় যে কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, ১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিলের মধ্যে বেশ কয়েকবার সিওয়ান জেলায় গিয়েছিলেন এই ব্যক্তি। ওমান ফেরত এই ব্যক্তির করোনাভাইরাস ধরা পড়ার পর একে একে আক্রান্ত হতে থাকেন ওই পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

এই ব্যক্তি ছাড়াও পরিবারের আরও ২২ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে কোভিড ১৯ সংক্রমণের নমুনা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা এবং শিশুরাও। এঁদের মধ্যে বেশিরভাগেরই প্রাথমিক ভাবে কোনও উপসর্গ দেখা যায়নি। সিওয়ান গ্রামের আরও দু’জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তাঁরা অবশ্য এই পরিবারের সদস্য নন।

যে পরিবারের মোট ২৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে চারজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তবে এখনও তাঁদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। বাকিদের টেস্টের রিপোর্ট এখনও আসেনি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুসারে এখনও পর্যন্ত বিহারে করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৩৯। মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। সংক্রমণ রুখে দেওয়ার জন্য বেগুসরাই, নওয়াদা এবং সিওয়ান—-এই তিন জেলার বর্ডার সিল করে দেওয়া হয়েছে।

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার জনসাধারণের কাছে অনুরোধ করেছেন কেউ যাতে নিজের বিদেশ সফরের কথা লুকিয়ে না রাখেন। বরং বিদেশ থেকে ফিরলে বা কোনও উপসর্গ দেখা দিলে যেন সেইসমস্ত লোকেরা নিজেরাই এগিয়ে এসে কোভিড ১৯ টেস্ট করিয়ে নেন। তাতেই গোটা রাজ্যের মঙ্গল।

ভারতে এখনও পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪১২ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৯৯ জনের। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুসারে ১০ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত এটাই দেশের কোভিড ১৯ পরিসংখ্যান।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More