সমুদ্রে সুরক্ষার জন্য তৈরি ভারতীয় নৌবাহিনী, চিনকে হুঁশিয়ারি অ্যাডমিরাল করমবীরের

৫৩১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিন যতই আধিপত্য কায়েমের চেষ্টা করুক, তৈরি আছে ভারতীয় নৌবাহিনী। সমুদ্রে সুরক্ষার জন্য সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন, অ্যাডমিরাল করমবীর সিং।

লাদাখ সংঘাতের আবহেই ভারত মহাসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছিল চিন। চিনকে আরও কড়া বার্তা দিতে সমুদ্রেও রণসজ্জা তৈরি করেছে ভারত। ভারত মহাসাগরে সাজানো হয়েছে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ। চিন নিয়ে সীমান্তে উত্তেজনার আবহে প্রায় নিয়মিত বৈঠক করছেন তিন সেনাবাহিনীর প্রধানরা। চিন এবং পাশাপাশি পাকিস্তান– এই দুই বিরোধী শক্তিকে রুখতে সবরকম প্রস্তুতি চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা চলছে দফায় দফায়।

সীমান্ত সংঘাতের আবহেই নৌশক্তিকে শতগুণে বাড়িয়ে তুলছে ভারত। সমুদ্রে চিনের আগ্রাসী নীতিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েই জাপান, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াকে সঙ্গে নিয়ে চার শক্তির কোয়াডের নৌসেনা মহড়া হবে এবছরেই। অক্টোবরের গোড়াতেই চার দেশের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। কূটনৈতিক শিবিরের মতে, প্রকৃতপক্ষে এই অক্ষের জন্মই হয়েছিল চিন-বিরোধিতার উপর ভিত্তি করে। সমুদ্রপথে বেজিংয়ের একাধিপত্য,  সীমান্তবর্তী দেশগুলির ভূখণ্ডের প্রতি চিনের আগ্রাসন রুখতেই একজোট হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত, আমেরিকা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া। সমুদ্রপথে চিনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে এ বছর মালাবার নৌমহড়ায় অস্ট্রেলিয়াকে নিমন্ত্রণ পাঠানো হবে কিনা সে নিয়ে আলোচনা চলছিল। সোমবার সরকারি সূত্রে জানা গেছে, চতুর্দেশীয় অক্ষে অস্ট্রেলিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নভেম্বরের শেষে বঙ্গোপসাগরে নৌমহড়ায় ভারত, জাপান, আমেরিকার সঙ্গে অংশ নেবে অস্ট্রেলিয়াও।

একই সঙ্গে সমুদ্র ও আকাশের বৃহত্তর সামরিক মহড়া ‘ট্রপেক্স’-এর জন্যও প্রস্তুতি শুরু করতে চলেছে ভারত। নাম না করলেও মূলত চিনকে বার্তা দেওয়াই এই নৌ-মহড়ার অন্যতম উদ্দেশ্য। গত বছর পুলওয়ামা হামলা ও তার প্রত্যাঘাতে বালাকোট স্ট্রাইকের সময়েই বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও পরমাণু শক্তিবাহিত সাবমেরিন আরব সাগরে মোতায়েন করেছিল ভারতীয় নৌসেনা। সেই সময়ের ট্রপেক্স মহড়ায় যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী বিক্রমাদিত্য সহ একটি নৌবহর অংশ নিয়েছিল। উত্তর আরব সাগরে একাধিক রণতরী ও অ্যাটাক সাবমেরিন পাঠিয়েছিল ভারত। নৌবাহিনীর এই রণসাজ দেখে পাকিস্তান আর সমুদ্রপথে উৎপাতের কোনও চেষ্টা করেনি।

অ্যাডমিরাল করমবীর বলেছেন, সমুদ্রে গোপনে ডুবোজাহাজ নিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করলে তার জবাব দিতেও তৈরি ভারতীয় নৌসেনা। করভেট গোত্রের অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজ আইএনএস কাভারাত্তিকে সে জন্যই নৌবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর ক্ষেত্রে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ছাড়াও রয়েছে ১৬টি ডুবোজাহাজ, ১৪ ডেস্ট্রয়ার, ১৩টি ফ্রিগেট, ১০৬টি নজরদারি ও উপকূল এলাকায় যুদ্ধ করতে সক্ষম সশস্ত্র জাহাজ, ৭৫টি যুদ্ধ জাহাজ, রয়েছে ৬৭ হাজার সেনাও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More