দেড় মিনিটে সলভ ৯টি ‘রুবিক কিউব’, তাও আবার জলের তলায়!

১১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রুবিক কিউব। রঙ মেলানোর খেলা। এক দিকে, একটিই রঙ দেখতে পাওয়া যাবে। রঙমিলান্তির এই খেলায় মাতেন অনেকেই। তবে নেশা হোক বা শখ, রুবিক কিউবে রঙ মেলানো কিন্তু বেশ কঠিন। ভীষণ মনযোগের প্রয়োজন হয়। কারণ, অনেকগুলো রঙের মধ্যে থেকে সঠিক রঙ খুঁজে বের করা কিন্তু বেশ কষ্টসাধ্য।

তবে এই কঠিক কাজটাই মাত্র এক মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে করে ফেলেছেন মহারাষ্ট্রের তরুণ চিন্ময় প্রভু। মুম্বই নিবাসী বছর ২০-র চিন্ময় আবার রুবিক কিউব সলভ করেছেন জলের তলায়। তরুণের কীর্তি দেখে তাজ্জব বনে গিয়েছেন সকলেই। ইতিমধ্যেই গিনেস বুকে নামও তুলে ফেলেছেন চিন্ময়। ২০১৮ সালে ৯ ডিসেম্বর জলের তলায় পিরামিড আকারের একটি রুবিক কিউব সলভ করেন চিন্ময়। বাহবা মিলেছিল তখনই। তবে চলতি বছর এল খেতাবও। গত ১৫ মার্চ চিন্ময় প্রভুর নাম উঠেছে গিনেস বুক ওফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ।

কী বলছেন চিন্ময়?

কিউব সলভ করা এবং সুইমিং দুটোই চিন্ময়ের প্যাশন। তাই দু’টোকেই একবার একসঙ্গে করতে চেয়েছিলেন তিনি। এরপর গিনেসের কাছেও দরবার করেন চিন্ময়। এ ধরণের ইভেন্টে কোনও খেতাবের ব্যবস্থা ছিল না গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ। তাঁর কথায়, “প্রথমে অবশ্য ৩০ থেকে ৩৫ সেকেন্ড জলের তলার শ্বাস ধরে রাখতে পারতাম আমি। ধীরে ধীরে সেটা বাড়তে থাকে। এখন দেড় মিনিট পর্যন্ত পারি।” প্রায় ৫ বছরের কঠিন পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়ের পরেই এই খেতাব জিতেছেন চিন্ময়।

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অবশ্য চারটি কিউব সলভ করতে দিয়েছিল চিন্ময়কে। বদলে ওই তরুণ সলভ করেছে ন’টি কিউব। চিন্ময় জানিয়েছেন, “প্রথম থেকে আমার টার্গেট বেশি ছিল। কারণ, ৪ বা ৫টা কিউব সলভ করলে যে কোনওদিন অন্য কেউ আমার রেকর্ড ভেঙে দিতে পারবে। তাই একবারে ৯টা কিউব সলভ করেছি।” তবে এটাই প্রথম নয়। নানান কায়দায় কিউব সলভ করার অভ্যাস চিন্ময়ের বহুদিনের। ২০১৭ সালে লিমকা বুক অফ রেকর্ডসে নিজের জায়গা পাকা করেছিলেন তিনি। আয়নার সামনে পা দিয়ে কিউব সলভ করে জিতে নিয়েছিলেন সেরার খেতাব।

অবসর সময়ে একখন ছোটদের কিউব সলভ করা শেখান মারাঠি তরুণ চিন্ময় প্রভু। নিজেই জানিয়েছেন, তাঁর সবচেয়ে ছোট স্টুডেন্টের বয়স মাত্র ৪ বছর। ছেলের সাফল্যে খুশি বাবা প্রদীপ প্রভুও। তাঁর কথায়, “ছোট থেকেই কিউব নিয়ে ঘাঁটার অভ্যাস ছিল ছেলের। খুব আগ্রহও ছিল এ সব বিষয়ে। তবে কোনও দিন ভাবিনি যে ও এতদূর যাবে। ওর সাফল্যে আমরা গর্বিত।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More