করোনা: জুম্মাবারেও ফাঁকা রইল কাশ্মীর থেকে কলকাতার মসজিদ

১৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত সপ্তাহ থেকেই বন্ধ হতে শুরু করেছিল দেশের একের পর এক মসজিদ। লকডাউনের মধ্যে আজ ছিল প্রথম শুক্রবার। করোনাভাইরাস সতর্কতায় জুম্মার নামাজেও ফাঁকাই রইল কাশ্মীর থেকে হায়দরাবাদ, লখনউ থেকে কলকাতার মসজিদ।

শ্রীনগরের সবচেয়ে বড় মসজিদের মূল ফটক খোলেনি এদিন। বন্ধ ছিল হায়দরাবাদের চার্মিনার লাগোয়া ঐতিহাসিক মক্কা মসজিদও। কলকাতার টিপু সুলতান মসজিদেও কয়েকজন ইমাম ছাড়া বিশেষ কাউকে চোখে পড়েনি।

গতকালই মুসলিম পার্সোনাল ল’বোর্ড ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছিল, জুম্মার নামাজ বাড়িতেই সারার কথা। পার্সোনাল ল’বোর্ডের তরফে বলা হয়, “ইসলাম কখনও মানুষের ক্ষতি করতে শেখায় না। তাই এই পরিস্থিতিতে আমাদের নিষেধাজ্ঞা মেনে বাড়িতে থাকাই উচিত।”

শুধু মুসলিম পার্সোনাল ল’বোর্ড নয়। তেলেঙ্গানার কট্টর মুসলিমদের দল অল ইন্ডিয়া মজলিসই ইত্তেহাদুল মুসলিমিন তথা মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসিও আবেদন করেন, জুম্মার জন্য কেউ যেন ঘরের বাইরে পা না রাখেন। হায়দারাবাদের চর্মিনারের সামনের রাস্তায় নামাজের জন্য অন্য শুক্রবার যেখানে ট্রাফিক বন্ধ হয়ে যায়, সেখানে করোনা লকডাউনে সতর্ক হয়ে সে রাস্তা রইল জনশূন্য।

গত সপ্তাহে বাংলার ইমামদের সংগঠনও মসজিদে মসজিদে নোটিস পাঠিয়ে সাধারণের জন্য দরজা বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলে। বলা হয়, ভিতরে ইমাম সাহেবরা যেমন নামাজ পড়েন তা চলবে। কিন্তু বাইরে থেকে যেন লোকজন ভিড় না করেন।

আক্রান্ত বাড়ছে প্রতিদিন। বাড়ছে মৃত্যুও। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে.সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে দেওয়া ছাড়া কোভিড-১৯ ঠেকানোর অন্য কোনও পথ নেই। সেই পথেই হাঁটলেন ভারতের মুসলিমরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More