ত্রিপুরায় সংগঠিত হচ্ছে জঙ্গিরা, এখনই গুঁড়িয়ে দিতে হবে: মানিক সরকার

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বৃহস্পতিবার মনিপুরে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন পিপলস লিবারেশন আর্মির হামলায় নিহত হয়েছিলেন অসম রাইফেলসের তিন জওয়ান। তার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ত্রিপুরায় জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার।

    বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা শনিবার আগরতলায় দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি বলেন, “ত্রিপুরার বেশ কিছু জায়গায় জঙ্গিরা সংগঠিত হচ্ছে। এখনই এই সন্ত্রাসবাদীদের গুঁড়িয়ে দিতে হবে।”

    এদিন নির্দিষ্ট জায়গা ধরে মানিকবাবু বলেন কোথায় কোথায় জঙ্গিরা সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, “আমি লক্ষ্য করছি বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া খোয়াই জেলা, পশ্চিম ত্রিপুরার লেফাঙ্গা এবং উত্তর ত্রিপুরার পানিসাগর মহকুমায় জঙ্গিরা সংগঠন বাড়াচ্ছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগের।”

    মানিক সরকারের দাবি, ত্রিপুরায় বাম আমলে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া সশস্ত্র সংগঠনগুলি ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে। স্বশাসিত জেলা কাউন্সিলগুলির নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের জমিকে ব্যবহার করে পুনরায় সক্রিয় হচ্ছে তারা। তাঁর আরও অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে ধৃত জঙ্গিদের জেরার আগেই পুলিশের কাছে প্রভাবশালী মহলের চাপ আসছে। তবে কারা সেই চাপ দিচ্ছেন সে ব্যাপারে কিছু স্পষ্ট করেননি মানিকবাবু।

    গত মে মাসে উপজাতি জেলা পরিষদগুলির মেয়াদ ফুরিয়েছে। কোভিড পরিস্থিরির জন্য সেখানে নির্বাচন করা যায়নি। রাজ্যপাল রমেশ ব্যস স্বশাসিত জেলা প্রশাসনগুলি পরিচালনার জন্য প্রশাসক নিয়োগ করেছেন। সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্য মানিক সরকার বলেন, “যদি সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে হয় তাহলে এখনই এই উগ্র সন্ত্রাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে রাজ্য সরকারকে।”

    ত্রিপুরার তিনদিকে বাংলাদেশের সীমান্ত। এই আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাগোয়া পানিসাগর, খোয়াইতে সম্প্রতি কয়েকজন এনএলএফটি জঙ্গি সশস্ত্র অবস্থায় ধরা পড়ে। ইঙ্গিতে মানিকবাবু বোঝাতে চান, বাম আমলে প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া জঙ্গিরা বর্তমান বিজেপি জোট সরকারের শরিক আইপিএফটি-র মদতে মাথাচাড়া দিচ্ছে।

    কোভিড পরিস্থিতি নিয়েও ত্রিপুরার বিপ্লব দেব সরকারের সমালোচনা করেন মানিকবাবু। তিনি বলেন, “মহামারীর সময়ে সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। সংক্রমণ ঠেকানোর পাশাপাশি সরকারের মাথায় রাখা উচিত এই পরিস্থিতিতে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। পরিযায়ী শ্রমিকরা কাজ হারিয়ে রাজ্যে ফিরেছেন। ফলে গরিব এবং প্রান্তিক মানুষের দুর্দশা কমাতে আরও পদক্ষেপ জরুরি।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More