কর্মীর যৌনাঙ্গে স্যানিটাইজার স্প্রে কোম্পানির মালিকের, লকডাউনে খরচ নিয়ে বচসার জের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের আগে অন্য শহরে কাজে গিয়ে আটকে যান এক কর্মী। বাধ্য হয়ে লজে থাকতে গিয়ে কোম্পানির অনেক টাকা খরচ করে ফেলেন তিনি। আর সেই নিয়েই বচসা। রাগে কোম্পানির মালিক তাঁকে অপহরণ করে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তাঁর যৌনাঙ্গে স্যানিটাইজার স্প্রে করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মালিক ও আরও দুই কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই যুবক।

    পুলিশে সূত্রে খবর, এই মারধরের ঘটনা ঘটেছে গত ১৩ ও ১৪ জুন। কিন্তু ২ জুলাই থানায় গিয়ে এফআইআর দায়ের করেন ওই যুবক। তারপরেই এই ঘটনা সামনে আসে।

    জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের কোথরুডে একটি ফার্মে ম্যানেজারের কাজ করতেন ৩০ বছরের ওই যুবক। বিভিন্ন জায়গায় চিত্র প্রদর্শনীর সব ব্যবস্থা করে থাকে ওই ফার্ম। সেই রকমেরই একটি কাজে মার্চ মাসে লকডাউনের আগে দিল্লি গিয়েছিলেন ওই যুবক। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পরেই লকডাউন ঘোষণা করায় তিনি আটকে পড়েন।

    যুবক নিজের অভিযোগে বলেছেন, বাধ্য হয়ে একটি লজে তাঁকে থাকতে হয়। এই থাকা ও খাওয়ার খরচ বাবদ কোম্পানির তরফে তাঁকে যে টাকা দেওয়া হয়েছিল তা খরচ হয়ে যায়। এই কথা কোম্পানির মালিককে তিনি জানিয়েছিলেন।

    জানা গিয়েছে, ৭ মে পুনে ফেরেন ওই যুবক। তখন কোম্পানির মালিক ওই যুবককে ১৭ দিনের জন্য একটি হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলেন। বাধ্য হয়ে তা করেন ওই যুবক। টাকা না থাকায় বাধ্য হয়ে হোটেল মালিকের কাছে নিজের ফোন ও ডেবিট কার্ড জমা রাখতে হয় তাঁকে।

    যুবকের অভিযোগ, ১৩ জুন কোম্পানির মালিক ও আরও এক কর্মী এসে তাঁর কাছে দিল্লিতে খরচ করা টাকা ফেরত চান। তিনি বলেন, সেই মুহূর্তে তাঁর কাছে টাকা নেই। এই নিয়েই বচসা হয়। তারপর জোর করে ওই যুবককে অপহরণ করে গাড়িতে নিয়ে মালিক ও তাঁর সহকারী চলে যান বলে অভিযোগ।

    জানা গিয়েছে, ফার্মের অফিসেই ওই যুবককে আটকে রাখা হয়। মালিক ও আরও দুই কর্মী তাঁকে মারধর করেন। তাঁর যৌনাঙ্গ ও অন্যান্য গোপন জায়গায় স্যানিটাইজার স্প্রে করে দেওয়া বলে অভিযোগ। তারপর তাঁকে ছেড়ে দেন তাঁরা।

    ছাড়া পেয়ে প্রথমে একটি হাসপাতালে ভর্তি হন ওই যুবক। তারপরে কিছুটা সুস্থ হয়ে থানায় এসে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More