মৃতদেহ গুলিয়ে ফেলল হাসপাতাল, যুবককে কবর দিল অন্য পরিবার

১৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের মৃতদেহ গুলিয়ে ফেলার ঘটনা ঘটল হায়দরাবাদে। তার ফলে মৃত যুবকের দেহ কবর দিল অন্য পরিবার। অন্যদিকে এক সপ্তাহ ধরে নিজেদের ছেলের মৃতদেহ খুঁজে বেরালো ওই যুবকের পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদের একমাত্র সরকারি কোভিড ১৯ হাসপাতাল রাজীব গান্ধী হাসপাতালে।

যুবকের পরিবার জানিয়েছে, গত রবিবার শ্বাসকষ্টের সমস্যা হওয়ায় যুবককে হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসাপাতালের তরফে জানানো হয়, যুবককে ভেন্টিলেশনে দিতে হবে। তার জন্য প্রতিদিন ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা খরচ হবে। টাকা না থাকলেও তাতে রাজি হয়ে যায় পরিবার।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার হাসপাতালের তরফে যুবকের পরিবারকে বলা হয়, যুবককে রাজীব গান্ধী হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে হবে। যুবকের বাবা জানিয়েছেন, “আমার ছেলের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েনি। তাহলে কেন ওকে কোভিড ১৯ স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে পাঠানো হল জানি না।”

পরিবারের অভিযোগ, বুধবার রাজীব গান্ধী হাসপাতালের তরফে জানানো হয় যুবকের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু তাঁর দেহ পরিবারের হতে তুলে দেওয়া যাচ্ছিল না। যুবকের দাদা জানিয়েছেন, “আমাদের ১৩টি দেহ দেখানো হয়। কিন্তু একটিও আমার ভাইয়ের ছিল না।”

বাধ্য হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে একটি ভিডিও বার্তা পাঠায় ওই পরিবার। সেখানে তাঁরা বলেন, নিজেদের পরিবারের ছেলের শেষকৃত্যটুকু তাঁরা করতে চান। তাই যেন দয়া করে তাঁদের ছেলের দেহ খুঁজে দেওয়া হয়। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়ে যায়।

পরিবারের অভিযোগ, এখন তাঁদের বলা হচ্ছে ওই যুবকের দেহ অন্য একটি পরিবার কবর দিয়ে দিয়েছে। যুবকের দাদা জানিয়েছেন, “তদন্তের সময় স্থানীয় পুলিশ আমাদের জানায়, আমার ভাইয়ের দেহ অন্য একটি পরিবারের হতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ১০ জুন তাঁকে কবরও দেওয়া হয়ে গিয়েছে। ওই পরিবারের ছেলের মৃত্যু হওয়ার পর ভুল করে আমার ভাইয়ের দেহ তাঁদের হতে তুলে দেওয়া হয়েছে।”

এই সপ্তাহে রাজীব গান্ধী হাসপাতালে দ্বিতীয়বার এই ধরনের ঘটনা ঘটল। তিন দিন আগে শেষকৃত্য করার সময় এক মহিলা লক্ষ্য করেন, যে দেহটি আনা হয়েছে তা তাঁর স্বামীর নয়। তখনও হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল। ফের এক ঘটনা ঘটল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More