বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯

জুতোর ভিতরে খানিকটা, বাকিটা পায়ুদ্বারে, ৭ লক্ষ টাকার চরস সমেত কেরলের বিমানবন্দরে পাকড়াও যুবক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে, সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (সিআইএসএফ) সতর্ক নজর পেরিয়ে বিমানবন্দরে মাদক বা সোনা পাচার করাটা একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। কখনও জুতোর সোলে, কখনও টেপ দিয়ে শরীরের মধ্যে জড়িয়ে, কখনও ট্রলির চাকায় আবার কখনও অন্তর্বাসে পুরে— নানা উপায় মাদক পাচারের উদাহরণ ভূরি ভূরি। মলদ্বারে মাদক ঠেসেও পাচারের নিদর্শন কিছু কম নেই। ফের সেই একই কায়দায় চরস পাচার করতে গিয়ে কেরলের কান্নুর বিমানবন্দরে ধরা পড়ল এক যুবক।

সিআইএসএফ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম অজস ভালিয়াবাল্লাথা। কান্নুরের বাসিন্দা। মাদক নিয়ে তার কাতার পাড়ি দেওয়ার মতলব ছিল। তবে তার আগেই যুবককে পাকড়াও করেন নিরাপত্তা কর্মীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, যুবকের হাবভাব এবং হাঁটাচলার কায়দা যথেষ্ট সন্দেহজনক ছিল।খানিক ঝুঁকে, কখনও খুঁড়িয়ে, কখনও দেহটা আগু পিছু করে একটু ঝাড়া দিয়ে আবার চলার চেষ্টা করছে সে। এই সব লক্ষণ নিরাপত্তা কর্মীদের বিলক্ষণ চেনা। সঙ্গে সঙ্গেই ধরে ফেলা হয় অজসকে। তল্লাসিতে বেরিয়ে আসে প্রায় ৯০০ গ্রামের মতো চরস।

সিআইএসএফের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, যুবকের পায়ুদ্বারে ঠাসা ছিল প্রায় ২১০ গ্রামের মতো চরস। বাকি প্রায় ৬৯০ গ্রাম লুকোনো ছিল তার স্লিপারের ভিতরে। সমস্তটা মিলিয়ে বাজার দর প্রায় ৭ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। তাকে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

সিআইএসএফের সূত্র ও সাম্প্রতিক নানা ঘটনা বলছে, ভারতে দিন দিন মাদক পাচারের ঘটনা লাগামছাড়া হচ্ছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করলেও পাচার রোখা যাচ্ছে না কিছুতেই। বরং নিরাপত্তা অফিসারদের চোখে ধুলো দিতে তাল মিলিয়ে পাচারকারীরা বেছে নিচ্ছে পাচারের অভিনব পদ্ধতি।

Comments are closed.