একজন জওয়ান মরলে ১০ জন শত্রুকে খতম করা হবে, মহারাষ্ট্রে নির্বাচনী সভায় হুঙ্কার শাহের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে সেই জাতীয়তাবাদ এবং দেশাত্মবোধকেই হাতিয়ার করলেন বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে সাংলির জনসভা থেকে শাহ বলেন, “ভারতের একজন জওয়ানের মৃত্যু হলে, শত্রুদের ১০ জনকে খতম করা হবে।”

এ দিন জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা তুলে নেওয়া নিয়ে বিজেপি সভাপতি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একটা মহান কাজ করেছেন। যা হয়েছে তা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে জরুরি ছিল।” বিরোধীদের উদ্দেশে তোপ দেগে শাহ বলেন, “রাহুল গান্ধী, শরদ পাওয়াররা স্পষ্ট করুন যে তাঁরা জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়াকে সমর্থন করেন কিনা।”

ভিড়ে ঠাসা জনসভার মঞ্চ থেকে অমিত শাহ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এখন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা অনেক শক্তিশালী হয়েছে। এখন গোটা দুনিয়া জানে, ভারতের একজন জওয়ানের প্রাণ গেলে, শত্রু শিবিরের ১০ জনের প্রাণ খোয়াতে হবে।” উদাহরণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ১২ দিনের মাথায় বদলা হিসেবে বালাকোট বিমান হানার কথা উল্লেখ করেন।

একই সঙ্গে এ দিন বিজেপি সভাপতি  তিন তালাক প্রথা আইনত নিষিদ্ধ করার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “নরেন্দ্র মোদীর সরকার এই কুপ্রথার অবলুপ্তি ঘটাতে যে সাহস দেখিয়েছে, তা কেউ ভাবতে পারবে না। কারণ আমাদের দেশে বাকি দলগুলি শুধু ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করেছে।” মহারাষ্ট্রের ভোটেও জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরণ প্রসঙ্গ তোলেন শাহ। বলেন, “২০২৪ সালে যখন আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসব, তখন এ দেশে আর একজনও অনুপ্রবেশকারী থাকবে না। সবাইকে তাড়াব।” তাঁর কথায়, ‘‘৭০ বছর ধরে দেশে ঢুকছেন অনুপ্রবেশকারীরা। আমাদের দেশে নিরাপত্তার ভিত দুর্বল হয়েছে। এনআরসি লাগু করে দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়িত করা হবে, এ ব্যাপারে বিজেপি ও মোদীজি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’’।

পর্যবেক্ষকদের মতে মহারাষ্ট্র ভোটে বিরোধীরা এখনও তেমন ভাবে মাঠেও নামতে পারেনি। অন্যদিকে মানুষের মধ্যেও বিজেপি-শিবসেনা জোটের সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের প্রশাসন নিয়ে যথেষ্ট অসন্তোষ রয়েছে। তাঁদের মতে, সে কারণেই বিগত সরকারের কাজ, আগামী সরকারের দিশার বদলে বালাকোট, পুলওয়ামা, ৩৭০ ধারা বিলোপ—এগুলিকেই হাতিয়ার করছে গেরুয়া শিবির। উদ্দেশ্য একটাই, জাতীয়তাবাদী হাওয়াটকাকে জিইয়ে রাখা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More