মাত্র ৩ টাকায় ‘থ্রি লেয়ার মাস্ক’ আনছে মহারাষ্ট্র সরকার, এন৯৫ মাস্কের দামও নামমাত্র

ডবল লেয়ার ও থ্রি লেয়ার মাস্কের দাম সাধ্যবিত্তের মধ্যেই রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, থ্রি লেয়ার মাস্কের দাম ৩টাকা থেকে ৪ টাকার মধ্যে থাকবে। এন৯৫ মাস্কের দামও কমানো হয়েছে। এক একটি এন৯৫ মাস্কের দাম হবে ৯৫ টাকা।

৩৫৪

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ফেস-মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে এখনও রাস্তায় মাস্ক ছাড়াই দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ লোকজনকে। দামের কারণে মাস্ক কেনা যাচ্ছে না এমন দাবিও উঠেছে। তাই এবার ফেস-মাস্কের দাম বেঁধে দিতে চলেছে মহারাষ্ট্র সরকার।

ডবল লেয়ার ও থ্রি লেয়ার মাস্কের দাম সাধ্যবিত্তের মধ্যেই রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, থ্রি লেয়ার মাস্কের দাম ৩টাকা থেকে ৪ টাকার মধ্যে থাকবে। এন৯৫ মাস্কের দামও কমানো হয়েছে। এক একটি এন৯৫ মাস্কের দাম হবে ৯৫ টাকা।

রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপে বলেছেন, মাস্ক ছাড়া কাউকে রাস্তায় দেখলেই জরিমানা করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যেকের কাছে যাতে থ্রি লেয়ার বা এন৯৫ মাস্ক থাকে তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সে জন্যই মাস্কের দাম কমিয়ে নামমাত্র করার চেষ্টা হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মাস্ক তৈরি করছে যে কোম্পানিগুলি তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ডিস্ট্রিবিউটারদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।কম দামে মাস্ক যাতে ঘরে ঘরে পৌঁছে যায় সে চেষ্টা করা হবে।

উৎসবের মরসুম আসছে। নবরাত্রি, দশেরা, দিওয়ালিতে মানুষের মেলামেশা আরও বাড়বে। সোশ্যাল ডিস্টেন্সিংয়ের বিধি সেভাবে মানা হবে না কোথাও। তাই এই সময়ে মাস্ক খুবই জরুরি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, থ্রি লেয়ার মাস্ক পরার কথা বলছেন বেশিরভাগ বিজ্ঞানীই। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের গাইডলাইনেও বলা হয়েছে সুতির মাস্ক বা ফ্যাব্রিকের থ্রি লেয়ার মাস্ক সংক্রমণ অনেকটাই ঠেকাতে পারবে।

কী ধরনের মাস্ক পরতে হবে সে নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের গাইডলাইন সামনে এনেছিল। বলা হয়েছিল, পাবলিক প্লেসে, গণপরিবহনে, বা জনবহুল এলাকায় যেখানে শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে চলা সবসময় সম্ভব নয়, সেখানে সকলকেই ফ্যাব্রিক মাস্ক (নন-মেডিক্যাল)পরতে হবে। মেডিক্যাল বা সার্জিক্যাল মাস্কে একটাই প্লেন লেয়ার থাকে। সাধারণত মসৃণ সারফেস। তবে ফ্যাব্রিক মাস্কে তিনটি ভিন্ন উপাদানের বা মেটিরিয়ালের লেয়ার থাকে। এই ধরনের মাস্ককে ‘থ্রি-লেয়ার মাস্ক’ বলা হয়। এর একটা বাইরের স্তর থাকে যেটা ওয়াটারপ্রুফ সিন্থেটিক মেটিরিয়ালে তৈরি। সাধারণত পলিপ্রপিলিন দিয়ে তৈরি হয় এই আউটার লেয়ার। এই পলিপ্রপিলিনের কাজ হল ভাইরাস ড্রপলেটকে আটকে দেওয়া। এই উপাদানকে ভেদ করে ভাইরাস ড্রপলেট আর নাক বা মুখ অবধি যেতে পারে না। আউটার লেয়ারের ভেতরেও থাকে আরেকটা পলিপ্রপিলিনের মিডল লেয়ার। এর কাছ ছাঁকনির মতো। কোনও কারণে যদি ভাইরাস ড্রপলেট ভেতরে ঢুকে আসে তাকে ছেঁকে বার করে দিতে পারে এই লেয়ার। আর তৃতীয় লেয়ার বা যে অংশটা মুখ-নাকের কাছে থাকবে সেটা তৈরি হয়েছে সুতির উপাদান দিয়ে যা চূড়ান্ত পর্যায়ে ফিল্টারের কাজ করবে পাশাপাশি ত্বকের জন্যও আরামদায়ক।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More