পিএইচডি, এমফিল-এর মৌখিক নিতে হবে ভিডিও কনফারেন্সে, নির্দেশ ইউজিসির

করোনা সংক্রমণের ফলে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক এমফিল বা পিএইচডি ছাত্রের গবেষণার পেপার জমা দেওয়ার সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তাঁদের ছ’মাস অতিরিক্ত সময় দিয়েছে ইউজিসি। এই সময়ের মধ্যে তাঁদের থিসিস অথবা ডিজার্টেশন পেপার জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণের জেরে বন্ধ রয়েছে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। কয়েকদিন আগেই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি জানিয়েছিল, পরিকাঠামো থাকলে অনলাইনে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিতে পারে কিনা সে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। এবার এমফিল ও পিএইচডির মৌখিক পরীক্ষা অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নেওয়ার নির্দেশ দিল ইউজিসি। এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে।

    ইউজিসির তরফে একটি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলি গুগল, স্কাইপ, মাইক্রোসফট টেকনোলজি ও অন্যান্য বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যম ব্যবহার করে ভিডিও কনাফেরন্সের মাধ্যমে এমফিল ও পিএইচডির মৌখিক পরীক্ষা নিতে পারে।”

    কোভিড সংক্রমণের মধ্যে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার ও পরীক্ষার সূচি নিয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রফেসর আরসি কুহাদের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এই কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষার গুণগত মান যাতে কম না হয়, সেটা মাথায় রেখে বিকল্প রাস্তা তৈরি করতে। ওই কমিটির তরফেই এই ভিডিও কনফারেন্সে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। তারপরেই এই নির্দেশ দেয় ইউজিসি।

    আরও পড়ুন হচ্ছে টা কী! বাংলায় করোনা আক্রান্তের পরিসংখ্যান নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের অভাব এখন সাদা-কালোয়

    ইউজিসির তরফে জারি করা নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, “যখন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মৌখিক নেওয়া হবে তখন মাথায় রাখতে হবে রিসার্চ অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যরা, সংশ্লিষ্ট বিভাগের সব অধ্যাপক, গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছাত্র-ছাত্রীরা এবং যাঁরা পরীক্ষা নিচ্ছেন সেই বিশেষজ্ঞরা সবাই যেন উপস্থিত থাকতে পারেন। এই পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ড করে রাখা ও কারা কারা উপস্থিত রয়েছেন তার রেকর্ডও রাখতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে।”

    করোনা সংক্রমণের ফলে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক এমফিল বা পিএইচডি ছাত্রের গবেষণার পেপার জমা দেওয়ার সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তাঁদের ছ’মাস অতিরিক্ত সময় দিয়েছে ইউজিসি। এই সময়ের মধ্যে তাঁদের থিসিস অথবা ডিজার্টেশন পেপার জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More