‘লিটল স্পাইডারম্যান’, দেওয়াল বেয়ে তরতরিয়ে উঠছে ছোট্ট ছেলে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ ছোটবেলায় কামড়ে ছিল একটা মাকড়শা। তারপর থেকেই হাত থেকে বের হত মাকড়শার জাল। আর তাই দিয়ে যেখানে সেখানে চড়তে পারত সে। সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটা মাকড়শার মতো পোশাক পরে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে সুপারহিরো হয়ে উঠেছিল স্পাইডারম্যান। খুদে থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, সবারই পছন্দের চরিত্র এই স্পাইডারম্যান।

টবি ম্যাগুয়ার, অ্যান্ড্রু গারফিল্ড কিংবা হালের অ্যাভেঞ্জার্স সিরিজের টম হল্যান্ড, সবাই এই একটা চরিত্র করেই বিখ্যাত হয়ে গিয়েছেন। বিশেষ করে ছোটদের মধ্যে এই সুপারহিরোর প্রভাব এতই বেশি যে কমিক্সের আকারে কিংবা কার্টুনে দেখা গিয়েছে লিটল স্পাইডারম্যানকে। খুদেদের জন্য এই পোশাকও পাওয়া যায়। তা পরে বেশ একটা স্পাইডারম্যান সুলভ অনুভূতি নেয় সবাই।

ছবিতে যা দেখি, তার তো প্রায় সবই হয় স্টান্টম্যান ও অ্যাকশন ডিরেক্টরের কেরামতি আর নইলে ভিএফএক্সের প্রভাব। তাই যতটা দেখানো হয় তার বেশিরভাগটাই আদতে হয় না। কিন্তু যদি বাস্তবে খানিকটা এমন হয়। তরতরিয়ে দেওয়াল বেয়ে উঠে যাচ্ছে কেউ। তাও আবার পিছনের দিকে ভর করে। লাগছে না কোনও দড়ি। দরকার পড়ছে না ভিএফএক্স। আর সবথেকে বড় কথা তার বয়স যদি হয় খুব বেশি ১০ বছর, তাহলে।

সম্প্রতি এমনই এক ভিডিও সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে বাড়ির মধ্যে দেওয়ালের কোণায় দু’হাত ও দু’পায়ের উপর ভর দিয়ে দেওয়ালে চড়ছে এক শিশু। বয়স ১০ বছরের কমই হবে। তাও আবার তাই শরীর রয়েছে সামনের দিকে। অর্থাৎ পিঠের দিকে ভর দেওয়ালে উঠছে সে। একটি আধটু নয়, এভাবে মেঝে থেকে তরতর করে সিলিং পর্যন্ত উঠে পড়ল সে। তারপর আবার একইভাবে নেমে এল নীচে।

এই পুরো ঘটনাটি ভিডিও করেছেন এক ব্যক্তি। ভিডিওয় ওই বাচ্চাটি ছাড়া আরও এক বাচ্চাকে দেখা গিয়েছে। সে সম্ভবত তার ভাই হবে। দয়ানন্দ কাম্বলে নামের এক ব্যক্তি এই ভিডিও শেয়ার করেছেন। তিনি মহারাষ্ট্র সরকারের ডিরেক্টর জেনারেল অব ইনফর্মেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “ও একজন ছোট্ট স্পাইডারম্যান।”

বাচ্চাটির এই দেওয়াল বেয়ে ওঠার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সবাই তার এই অদ্ভুত ক্ষমতার প্রশংসা করেছেন। যেভাবে অবলীলায় সে দেওয়ালে উঠে পড়েছে তাতে অবাক সবাই। অনেকে আবার এই ভিডিও বাচ্চাদের থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে ভয়ও পেয়েছেন অনেক। তাদের বক্তব্য, ওভাবে উঠতে গিয়ে কোনও ভাবে পড়ে গেলে বড় বিপদ হতে পারত। এই বিষয়ে বাড়ির লোককে আরও সতর্ক হতে হত।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More