৯ তারিখ জেল থেকে বেরোবেন লালুজি, পরদিনই নীতীশের ফেয়ারওয়েল, হিসুয়ায় তেজস্বী

একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও নীতীশ কুমারের জনসভা হয়েছে। তার পাল্টা সভা করেছেন রাহুল গান্ধী। আবার এদিনই সভা ছিল আরজেডি-র অধিনায়ক তেজস্বী যাদবেরও।

১,৪৪৯

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার মহা সপ্তমীর দিনে কলকাতায় বৃষ্টি। তার মধ্যেও উৎসব মুখর শহর তথা গোটা রাজ্য। কিন্তু পড়শি রাজ্য বিহারে ভোটের তাপমাত্রা যেন এ দিন আকাশ ফুটো করে দিতে চেয়েছে।

একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও নীতীশ কুমারের জনসভা হয়েছে। তার পাল্টা সভা করেছেন রাহুল গান্ধী। আবার এদিনই সভা ছিল আরজেডি-র অধিনায়ক তেজস্বী যাদবেরও।

হিসুয়াতে সেই সভাতেই এদিন তেজস্বী বলেন,” লালুজি ৯ তারিখ মুক্তি পাবেন। উনি একটি মামলায় ইতিমধ্যে জামিন পেয়েছেন। ৯ নভেম্বর অন্য একটি মামলাতেও জামিন পেয়ে যাবেন। সে দিন মুক্তি পাবেন তিনি। ওই দিনই আমার আবার জন্মদিন। পর দিন ১০ তারিখ বিহার ভোটের ফল গণনা হবে। সেদিনই ফেয়ারওয়েল হয়ে যাবে নীতীশ কুমারের।”

পশুখাদ্য মামলা সহ একাধিক মামলায় ঝাড়খণ্ডের জেলে বন্দি রয়েছেন লালু প্রসাদ। সম্প্রতি একটি মামলায় ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট তাঁকে জামিন দিয়েছে। কিন্তু আরও একটি মামলার শুনানি বাকি রয়েছে।

বিহারে প্রথম দফার ভোট গ্রহণ হবে ২৮ অক্টোবর। এর পর ৩ এবং ৭ নভেম্বর আরও দু দফায় ভোট গ্রহণ হবে। তার পর ১০ তারিখ ভোট গণনা হবে।

তাৎপর্যপূর্ণ হল, এ বার তেজস্বীর সভাগুলিতে প্রথম দিন থেকে ভাল জমায়েত হচ্ছে। নীতীশ কুমার যে হেতু বিজেপির জোট সঙ্গী তাই সংখ্যালঘু ভোটের পুরোটাই আরজেডি তথা তেজস্বীর দিকে ঝুঁকেছে বলে অনেকেই মনে করছেন। তা ছাড়া আরজেডির নিজস্ব যাদব ভোট তো রয়েছেই। বিহারে নতুন প্রজন্মকে কাছে টানতে ১০ লক্ষ কর্মসংস্থানের ভোট প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তেজস্বী। এদিনের সভায় তেজস্বী নীতীশকে খোঁচা দিয়ে আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীজি আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। বিহারের দেখভাল করতে পারছেন না। দুর্নীতি দমন করতে পারছেন না। আপনি বিহারের মানুষকে কাজও দিতে পারেননি। ঘর ছেড়ে তাদের অন্য রাজ্যে যেতে হয়েছে। এ বার আপনাকে গদি ছাড়া করবে তারা।”

বিহারে ঢালাও উন্নয়ন ও শিল্পায়নের ব্যাপারে নীতীশ এ বার ভোট প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সে প্রসঙ্গেও তেজস্বী এদিন বলেন, যাঁরা ১৫ বছর ধরে বিহারে শিল্পায়ন করতে পারেননি, মানুষকে কাজ দিতে পারেনি তাঁরা আগামী পাঁচ বছরেও তা পারবেন না।

তেজস্বীর এ সব কথার জবাব দিতে চেয়েছেন বিহারের জেডিইউ ও বিজেপি নেতারা। বিজেপির মুখপাত্র বলেন, নীতীশের জমানায় বড় সাফল্য হলে শান্তি শৃঙ্খলা স্থাপন করা। লালু জমানায় যে জঙ্গলরাজ চলছিল, খুন, অপহরণ চলছিল তা বন্ধ করা। এখন সে সব নিতান্তই অতীত। দুই, বিহারে মহিলাদের ক্ষমতায়ণের লক্ষ্যে কাজ করেছেন নীতীশ কুমার। এবং তিনি রাস্তা, সেচ বাঁধ, সেতু, রেল পথ সহ পরিকাঠামো উন্নয়ন করে শিল্প সহায়ক করে তুলেছে এনডিএ সরকার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More