শনিবার, মার্চ ২৩

বরফের চাঁই সরিয়ে মরিয়া খোঁজ চলছে পাঁচ জওয়ানের, উদ্ধারকাজে আড়াইশোরও বেশি সেনা

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  চারদিকে চাপ চাপ বরফ। কনকনে ঠাণ্ডায় তাপমাত্রার পারদ নেমেছে হিমাঙ্কের ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বরফের স্তর পুরু হয়েছে আরও চার ইঞ্চি। ঝুরো বরফে পা দিলেই টেনে নিয়ে যাচ্ছে অনেকটা গভীরে।  বুধবার সারাদিন তন্নতন্ন করে খুঁজে একজন জওয়ানের দেহ উদ্ধার হয়েছে। বরফের পুরু স্তরের মধ্যে কোথায় আটকে রয়েছেন আরও পাঁচ জন তার খোঁজ পায়নি সেনা, পুলিশ। জওয়ানেরা আদৌ বেঁচে রয়েছেন কি না সেই আশঙ্কাও মাথা চাড়া দিয়েছে। এ দিন ভোর থেকে ফের শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

উদ্ধারকাজে নেমেছেন আড়াইশোরও বেশি সেনা, আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানেরা। ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) একটি বিশেষ দলের সঙ্গে গতকাল রাত থেকে তল্লাশি চালাচ্ছে জেলা পুলিশও। বিশেষ যন্ত্রপাতি নিয়ে চাপা পড়ে থাকা দেহ ট্র্যাক করার চেষ্টা চালাচ্ছেন বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের সদস্যেরা।

হিমাচলপ্রদেশের কিন্নৌর জেলার নামগিয়া অঞ্চলের ডোগরি নালা এলাকায় তুষারধস শুরু হয় বুধবার সকাল ১১ টা নাগাদ। ভারত-চিন সীমান্তের শিপকি-লা সেক্টরের কাছে সেই সময় ছিলেন জম্মু-কাশ্মীর রাইফেলসের ১৬ জন জওয়ান। দু’টি দলে ভাগ হয়ে তাঁরা রুটিন তল্লাশি চালাচ্ছিলেন।  আচমকা তুষারধসে ছিটকে যান সকলে। বাকিদের উদ্ধার করা গেলেও খোঁজ মেলেনা ছয় জওয়ানের।

জোরকদমে শুরু হয় উদ্ধারকাজ।  সন্ধের দিকে একজনকে উদ্ধার করা গেলেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর।  বরফের নিচে এখনও চাপা পড়ে আরও পাঁচ জন।

সেনা সূত্রে খবর, এই অঞ্চলে আগে কোনওদিন তুষারধস হয়নি। তাই হয়তো প্রস্তুত ছিলেন না জওয়ানরা। আর তাই নিজেদের বাঁচাতে পারেননি বরফের কবল থেকে।

আরও পড়ুন:

পুরনো ঢাকার চকবাজারে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই বহুতল, মৃত অন্তত ৬৯

পুরনো ঢাকার চকবাজারে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই বহুতল, মৃত অন্তত ৬৯

Shares

Comments are closed.