বাংলায় দুর্গাপুজোয় আড়ম্বর হলেও দিল্লিতে অনুমতিই দিচ্ছে না অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার

৩৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড সংক্রমণের মধ্যেও বাংলায় দুর্গাপুজো হচ্ছে আড়ম্বরের সঙ্গেই। কিন্তু রাজধানী দিল্লিতে এখনও পুজোর অনুমতিই দিলেন না মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। পুজোর আর ১৫ দিনও বাকি নেই। কিন্তু এখনও সিআর পার্ক-সহ বিভিন্ন জায়গায় প্যান্ডেলের বাঁশ পড়েনি।

পার্কে পুজোর জন্য অনুমতি নিতে হয় কর্পোরেশন থেকে। কিন্তু সেই অনুমতি মেলেনি বলে জানাচ্ছেন পুজো উদ্যোক্তারা। ফলে রাজধানীতে দুর্গাপুজো এবার হচ্ছে না বলেই ধরে নিচ্ছেন অনেকে। শুধু সিআর পার্ক কালীবাড়িতে পুজোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাও বলে দেওয়া হয়েছে, কোনও দর্শনার্থী ভিতরে ঢুকতে পারবেন না। স্থানীয় কেবল চ্যানেলে পুজো সম্প্রচার করা হবে। অনেকের ধারণা, সিআর পার্ক কালীবাড়িতে পুজোর অনুমতি মিললে দক্ষিণ দিল্লি কালীবাড়ির পুজোতেও অনুমতি দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিল্লি কালীবাড়ির পুজোর অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: পুজো নিয়ে সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কী বলেছেন চিকিৎসকরা 

পূর্ব দিল্লির একাধিক পুজো কমিটি ব্যাঙ্কোয়েট হল ভাড়া নিয়েছে ইতিমধ্যেই। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। কোনও কোনও কমিটি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে, একদিন ঘট পুজো অনুমতি দেওয়া হোক। কিন্তু শনিবার পর্যন্ত সেই অনুমতি মেলেনি।

পর্যবেক্ষকদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরবিন্দ কেজরিওয়াল রাজনৈতিক ভাবে বন্ধু হতে পারেন কিন্তু প্রশাসক হিসেবে দুজনের চিন্তাধরায় বিস্তর ফারাক দেখা যাচ্ছে। অর্থনৈতিক এই সংকটের মধ্যে যখন বাংলার ক্লাবগুলোকে রাজ্য সরকার পুজোর জন্য ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দিচ্ছে তখন, কেজরিওয়াল সরকার টাকা দেওয়া তো দূরের কথা, সংক্রমণ থেকে মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে পুজোর অনুমতিই দিচ্ছেন না।

সিআর পার্কে যে মৃৎশিল্পী ঠাকুর বানান সেই নলিনী নাথ জানিয়েছেন, প্রতিবার অন্তত ৫০টি প্রতিমা গড়েন তিনি। এবার মাত্র ছ’টি প্রতিমার বায়না এসেছে। তার মধ্যে একটি সিআর পার্ক কালীবাড়ির এবং বাকি পাঁচটি ঠাকুর যাবে গুরুগ্রামে। যমুনা বিহারে মৃৎ শিল্পীর গোলায় যেকটি প্রতিমা তৈরি হচ্ছে তা সবই যাবে নয়ডায়। ঠাকুরের উচ্চতাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে বেদি চালা সব মিলিয়ে পাঁচ ফুটের বেশি উঁচু ঠাকুর বানানো যাবে না।

মহারাষ্ট্রের প্রধান উৎসব গণেশ চতুর্থি। উদ্ধব ঠাকরে সরকার তাতে অনুমতি দেয়নি এবার। অন্যদিকে পোঙ্গলে অনুমতি দিয়েছিল কেরলের বাম সরকার। তারপর থেকে কার্যত সংক্রমণের বিস্ফোরণ হচ্ছে দক্ষিণের রাজ্যটিতে। অনেকের মতে, পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সঠিক পদক্ষেপই নিয়েছে কেজরিওয়াল সরকার। তাঁদের আরও বক্তব্য, সেদিক থেকে বাংলার সরকার যেন অনেকটাই গা ছাড়া মনোভাব নিয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More