স্বাক্ষরতার হারে দেশের সেরা কেরল, ১০ নম্বরে বাংলা, সবার শেষে অন্ধ্র

২০১৭-১৮ সালে ৭৫ তম শিক্ষা সংক্রান্ত ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভেতেও উঠে এসেছিল কেরলের স্বাক্ষরতার রেকর্ডের ছবিটা। মঙ্গলবার, আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে দেশের শিক্ষা সংক্রান্ত সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এনএসও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বাক্ষরতার হারে ফের রেকর্ড গড়ল কেরল। দক্ষিণের এই রাজ্যে স্বাক্ষরতার হার তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকাল অফিসের সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, কেরলে ৯৬.২ শতাংশ স্বাক্ষরতার হার।

২০১৭-১৮ সালে ৭৫ তম শিক্ষা সংক্রান্ত ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভেতেও উঠে এসেছিল কেরলের স্বাক্ষরতার রেকর্ডের ছবিটা। মঙ্গলবার, আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে দেশের শিক্ষা সংক্রান্ত সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এনএসও। তাতে দেখা গিয়েছে কেরল রয়েছে একে। তারপর দু’নম্বরে রয়েছে দিল্লি। রাজধানীর স্বাক্ষরতার হার ৮৮.৭ শতাংশ। তালিকায় ১০ নম্বরে স্থান পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বাংলার স্বাক্ষরতার হার ৮০.৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম.স্থানে থাকা কেরলের চেয়ে শতকরা প্রায় ১৬ শতাংশ কম স্বাক্ষর রাজ্যে।

তালিকার এক নম্বরে যেমন দক্ষিণের রাজ্য, তেমন সর্বশেষেও রয়েছে দক্ষিণ ভারতেরই রাজ্য। স্বাক্ষরতার হারে দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন অন্ধ্রপ্রদেশ। জগনমোহন রেড্ডির রাজ্যে স্বাক্ষরতার হার ৬৬.৪ শতাংশ। অর্থাৎ কেরলের চেয়ে ফারাক প্রায় ৩০ শতাংশ। তার ঠিক উপরেই রয়েছে হরিয়ানা এবং বিহার।

সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, দেশে স্বাক্ষর পুরুষ রয়েছেন মধ্যে পুরুষরা রয়েছেন ৮৪.৭ শতাংশ এবং মহিলাদের মধ্যে স্বাক্ষরতার হার ৭০.৩ শতাংশ। অর্থাৎ স্বাক্ষরতার নিরিখে পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে একটা বড় ব্যবধান রয়েছে।

মেয়েরা যাতে বেশি করে স্কুলের চৌহদ্দিতে পৌঁছয় সে কারণে ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ স্লোগান দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশ্যই ছিল সব মেয়েকে শিক্ষাঙ্গনে পৌঁছে দেওয়া। গত কয়েক বছরে.সেই অনুপাত বাড়লেও এখনও পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে ব্যবধান চোখে পড়ার মতো। যদিও এদিক থেকেও অনেকটা এগিয়ে কেরল। সেখানে পুরুষদের মধ্যে ৯৭.৪ শতাংশ স্বাক্ষর। অন্যদিকে মেয়েদের মধ্যে স্বাক্ষরতার হার ৯৫.২ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যবধান মাত্র দু’ শতাংশের।

তবে নারী স্বাক্ষরতার হারে সবচেয়ে করুণ দশা রাজস্থানের। মরুরাজ্যে মাত্র ৫৭ শতাংশ মহিলা স্বাক্ষর। অর্থাৎ ৪৩` শতাংশ মহিলার কোনও অক্ষর জ্ঞানই নেই। এমনিতে জাতপাত, কুসংস্কারে বিদীর্ণ রাজস্থানে মেয়েদের এখনও সামাজিক পিছিয়েই রাখা হয়। বছরভর বিভিন্ন ঘটনায় তার প্রমাণ মেলে। এবার রাজস্থানের নারীশিক্ষার তথৈবচ অবস্থা উঠে এল সমীক্ষায়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More