করোনায় মৃত্যুহার আরও কমল দেশে, সুস্থতার হার বাড়ল ৬৫.৮%

করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সুস্থ হয়ে ওঠাদের সংখ্যাও আশা জাগাচ্ছে। দেশে এখন আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে। টানা পাঁচদিন ধরে নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছে ৫০ হাজারের বেশি। তবে কেন্দ্রের হিসেব বলছে, আক্রান্তের সংখ্যা বেশি দেখাচ্ছে কারণ দেশে কোভিড টেস্ট আগের থেকে বেড়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাল খবর!

করোনায় মৃত্যুহার আরও কমল দেশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে গত শনিবার অবধি মৃত্যুহার ছিল ২.১৫%। আজকের পরিসংখ্যাণ বলছে, মৃত্যুহার এক ধাক্কায় কমে দাঁড়িয়েছে ২.১৩ শতাংশে।

করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সুস্থ হয়ে ওঠাদের সংখ্যাও আশা জাগাচ্ছে। দেশে এখন আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে। টানা পাঁচদিন ধরে নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছে ৫০ হাজারের বেশি। তবে কেন্দ্রের হিসেব বলছে, আক্রান্তের সংখ্যা বেশি দেখাচ্ছে কারণ দেশে কোভিড টেস্ট আগের থেকে বেড়েছে। তাই বেশি সংখ্যক রোগীকে চিহ্নিত করা যাচ্ছে। রোগ ধরা পড়ছে দ্রুত, তাই চিকিৎসা শুরু হচ্ছে তাড়াতাড়ি। সেরে উঠছেন অনেকেই। করোনা জয়ীদের সংখ্যা প্রায় ১১ লাখ ৮৬ হাজার। সুস্থতার হার প্রায় ৬৫.৮%।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে করোনায় মৃত্যুহার সবচেয়ে কম। জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকেই মৃত্যুহার কমতে শুরু করেছিল। গত সপ্তাহে কোভিড ডেথ রেট ছিল ২.৩৩%। আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিনে দেখা গেল, মৃত্যুহার কমে দাঁড়িয়েছে ২.১৩ শতাংশে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ সারিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন প্রায় ৫১ হাজার কোভিড রোগী।

ভারতে করোনায় মৃত্যুহার বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম। এর কারণ অনেক।  স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বক্তব্য, দেশে করোনা পরীক্ষা অনেক বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কোভিড চিকিৎসায় কী কী ওষুধ ব্যবহার করা হবে, কী থেরাপির প্রয়োগ হবে সেটা জানতে ক্লিনিকাল ম্যানেজমেন্ট প্রোটোকল তৈরি হয়েছে। কোভিড চিকিৎসা ও গবেষণা সংক্রান্ত বিষয়ের খুঁটিনাটি খেয়াল রাখার জন্য তৈরি হয়েছে টাস্ক ফোর্স। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানাচ্ছে, কোভিড টেস্ট, কনট্যাক্ট ট্রেসিং ও ট্রিটমেন্ট এই তিন ‘টি’ ফর্মুলায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে দেশজুড়েই। এখনও অবধি কোভিড টেস্ট হয়েছে ২ কোটি ২ লক্ষ ২ হাজার ৮৫৮টি। শুধুমাত্র ৩১ জুলাই করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫ লাখ ২৫ হাজার, এখনও অবধি যা সর্বাধিক। গতকাল অর্থাৎ ১ অগস্ট প্রায় চার লাখের কাছাকাছি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

আইসিএমআর জানাচ্ছে, আগে দেশে মাত্র ৫২টি ল্যাবরেটরিতে করোনা পরীক্ষা শুরু হয়েছিল, এখন সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ১৩৪৮টি ল্যাবরেটরিতে কোভিড টেস্ট করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৯১৪টি সরকারি ও ৪৩৪টি বেসরকারি ল্যাবরেটরি রয়েছে। শুধুমাত্র রিয়েল টাইম আরটি-পিসিআর টেস্টই হচ্ছে ৬৮৬ টি (সরকারি ৪১৮ ও বেসরকারি ২৬৮) ল্যাবরেটরিতে। কনট্যাক্ট ট্রেসিং বাড়ানো হয়েছে দিল্লি, বেঙ্গালুরু, মহারাষ্ট্রে।  করোনা রোগী বা সংক্রমণ সন্দেহে থাকা রোগীদের কাছাকাছি আসাদের শনাক্ত করে আলাদা করা হচ্ছে। যাঁদের বিন্দুমাত্র সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে, তাঁদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হচ্ছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More