রবিবার, জানুয়ারি ১৯
TheWall
TheWall

#Breaking: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ৩টি জঙ্গিঘাঁটি উড়িয়ে দিল ভারতীয় সেনা, চলছে গুলির লড়াই

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বড় সাফল্য পেল ভারতীয় সেনা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ৩টি জঙ্গিঘাঁটি উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন জঙ্গি ও পাক সেনা খতম হয়েছে বলে খবর। পাক সেনার গুলিতে শহিদ হয়েছেন দুই ভারতীয় জওয়ানও। এ ছাড়াও নিহত হয়েছেন এক সাধারণ মানুষ। এখনও চলছে গুলির লড়াই।

সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নীলম নদীর ধারে ছিল এইসব জঙ্গি ঘাঁটি। রবিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই গুলির লড়াইয়ে ৪টি জঙ্গি ঘাঁটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই লড়াইয়ে ৪-৫জন পাক সেনা খতম হয়েছে বলে খবর। এ ছাড়াও নিহত হয়েছে ১০-১৫ জন জঙ্গি। এখনও এই লড়াই চলছে বলেই খবর। আরও জঙ্গিঘাঁটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছে সেনা।

এ দিন সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল যে যুদ্ধ বিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে কুপওয়ারা জেলায় হামলা চালিয়েছে পাক সেনা। এ ঘটনায় দুই ভারতীয় সেনা জওয়ান ও এক স্থানীয় গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তা ছাড়া পাক হামলায় সীমান্তের এ পারের গ্রামের দুটি বাড়ি পুরিপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে ভারতীয় সেনাও।

শুধু কুপওয়ারা নয়, কাঠুয়াতেও যুদ্ধ বিরতির শর্ত পাকিস্তান লঙ্ঘন করেছে বলে জানা গিয়েছিল। সেখানেও দুই পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই চলছে বলে খবর।

গত সপ্তাহেই পাক হামলায় দুই সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। বারামুলা ও রাজৌরিতে সে বার সীমান্তের ওপার থেকে গুলি বর্ষণ শুরু করেছিল পাকিস্তান।

সেনা কর্তাদের বক্তব্য, জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর থেকে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মহলে ক্ষোভ বিক্ষোভ জানাতে শুরু করেছে ঠিকই। তবে বাস্তব হল, তাদের কোনও বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই। দু’দেশের মধ্যে সংঘর্ষ বিরতি চললেও জুলাই মাসে ২৯৬ বার যুদ্ধ বিরতির শর্ত লঙ্খন করেছে ইসলামাবাদ। অগস্ট মাসে শর্ত লঙ্ঘন করেছে ৩০৬ বার। হিসাব মতো এ বছর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২০৫০ বার সংঘর্ষ বিরতির শর্ত ভেঙেছে পাকিস্তান। তাতে ২১ জন ভারতীয় সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে ইসলামাবাদকে বহুবার কূটনৈতিক স্তরে বার্তাও দিয়েছে নয়াদিল্লি।

প্রসঙ্গত কার্গিল যুদ্ধের চার বছর পর ২০০৩ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতির চুক্তি করেছিল নয়াদিল্লি। কেন্দ্রে তখন ছিল অটল বিহারী বাজপেয়ীর সরকার। তবে সাউথ ব্লকের বক্তব্য হল, নামে যুদ্ধ বিরতি হলেও পাকিস্তান ছায়াযুদ্ধ চালিয়েই যাচ্ছে। কখনও পাক সেনা বাহিনী জঙ্গি অনুপ্রবেশে সরাসরি মদত দিচ্ছে। কখনও বা জঙ্গিদের আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ করছে। সেই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গুলি বর্ষণের ঘটনা তো রয়েছেই।

দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিকদের বক্তব্য, ভারতীয় সেনাও যে হাত গুটিয়ে থাকে তা নয়। তবে এটা ঠিক যে সীমান্তের ওপার থেকে বরাবরই প্ররোচনা বেশি।

পড়ুন, দ্য ওয়াল-এর পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা…

Share.

Comments are closed.