#Breaking: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি ভাঙতে বড় হামলা ভারতীয় সেনা বাহিনীর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি ভাঙতে রবিবার সকালে বড় ধরনের হামলা শুরু করল ভারতীয় সেনা বাহিনী। 

    সংবাদসংস্থা এ এনআই সূত্রে খবর, কুপওয়ারা জেলার তাঙ্ধার সেক্টরে সীমান্ত রেখার ওপারে প্রবল গুলি বর্ষণ শুরু করেছে ভারত। ভারতীয় সেনা সূত্রে বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে তাঙ্ধার সেক্টরে বেশ কিছু জঙ্গি শিবির রয়েছে। ওই জঙ্গি শিবির গুলি থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটানোর জন্য প্রত্যক্ষ মদত দিচ্ছিল পাক সেনা। তা রুখে দিতেই পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ভারতীয় সেনা। মূলত নিশানা করা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে জঙ্গি শিবিরগুলি।

    কাকতালীয় ভাবে আগামী কালই আবার মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। তার আগে বালাকোটের ঘটনার মতো না হলেও ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারত-পাক সীমান্ত।

    এর আগে এ দিন সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশের তরফে হয়েছিল যে যুদ্ধ বিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে কুপওয়ারা জেলায় হামলা চালিয়েছে পাক সেনা। এ ঘটনায় দুই ভারতীয় সেনা জওয়ান ও এক স্থানীয় গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তা ছাড়া পাক হামলায় সীমান্তের এ পারের গ্রামের দুটি বাড়ি পুরিপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।.পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে ভারতীয় সেনাও।

    শুধু কুপওয়ারা নয়, কাঠুয়াতেও যুদ্ধ বিরতির শর্ত পাকিস্তান লঙ্ঘন করেছে বলে জানা গিয়েছিল। সেখানেও দুই পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই চলছে বলে খবর।
    গত সপ্তাহেই পাক হামলায় দুই সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। বারামুলা ও রাজৌরিতে সে বার সীমান্তের ওপার থেকে গুলি বর্ষণ শুরু করেছিল পাকিস্তান।
    সেনা কর্তাদের বক্তব্য, জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর থেকে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মহলে ক্ষোভ বিক্ষোভ জানাতে শুরু করেছে ঠিকই। তবে বাস্তব হল, তাদের কোনও বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই। দু’দেশের মধ্যে সংঘর্ষ বিরতি চললেও জুলাই মাসে ২৯৬ বার যুদ্ধ বিরতির শর্ত লঙ্খন করেছে ইসলামাবাদ। অগস্ট মাসে শর্ত লঙ্ঘন করেছে ৩০৬ বার। হিসাব মতো এ বছর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২০৫০ বার সংঘর্ষ বিরতির শর্ত ভেঙেছে পাকিস্তান। তাতে ২১ জন ভারতীয় সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে ইসলামাবাদকে বহুবার কূটনৈতিক স্তরে বার্তাও দিয়েছে নয়াদিল্লি।

    প্রসঙ্গত কার্গিল যুদ্ধের চার বছর পর ২০০৩ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতির চুক্তি করেছিল নয়াদিল্লি। কেন্দ্রে তখন ছিল অটল বিহারী বাজপেয়ীর সরকার। তবে সাউথ ব্লকের বক্তব্য হল, নামে যুদ্ধ বিরতি হলেও পাকিস্তান ছায়াযুদ্ধ চালিয়েই যাচ্ছে। কখনও পাক সেনা বাহিনী জঙ্গি অনুপ্রবেশে সরাসরি মদত দিচ্ছে। কখনও বা জঙ্গিদের আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ করছে। সেই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গুলি বর্ষণের ঘটনা তো রয়েছেই।

    দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিকদের বক্তব্য, ভারতীয় সেনাও যে হাত গুটিয়ে থাকে তা নয়। তবে এটা ঠিক যে সীমান্তের ওপার থেকে বরাবরই প্ররোচনা বেশি।

    পড়ুন দ্য ওয়াল-এর পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা…

    আগে তো আমাদের বাঙালি হতে হবে, তারপরই না ফিউশন: সনজীদা খাতুন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More