রেকর্ড ভাঙল দেশে, প্রায় ৬৭ হাজার করোনা আক্রান্ত একদিনে, তবে সুস্থতার হারও বেড়েছে ৭০ শতাংশ

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও আজকের বুলেটিনের ইতিবাচক দিক হল করোনায় মৃত্যুহার আরও কিছুটা কমেছে। গত কয়েকদিন ধরেই স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিনে আশা জাগছে। মৃত্যুহার ২ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। আজকের হিসেবে ১.৯৬%

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবার রেকর্ড ভাঙল। দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত হলেন প্রায় ৬৭ হাজার। গত কয়েকদিন ধরেই ৬০ হাজারের বেশি নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছিল। আজ, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সকালের বুলেটিনে দেখা গেল, গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাস সংক্রামিত হয়েছে ৬৬ হাজার ৯৯৯ জন। সেই সঙ্গেই দেশের মোট কোভিড পজিটিভ রোগীর সংখ্যা পৌঁছে গেছে ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৩৭ জনে।

একদিনে মৃত্যুও সর্বাধিক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৯৪২ জন কোভিড রোগীর। মারণ ভাইরাসের সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা এখন ৪৭ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে কেন্দ্রের হিসেব বলছে, মৃত রোগীদের অন্তত ৭০ শতাংশের শরীরে করোনা ছাড়াও অন্য রোগ ছিল। ৭০% মৃত্যুর কারণ কোমর্বিডিটি।

এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন নম্বরের কোনও হেরফের হয়নি। ‘আর নম্বর’ ১.১৬ পয়েন্টেই দাঁড়িয়ে আছে। তবে দিল্লি, মুম্বই ও চেন্নাইতে আর নম্বর একের নিচে নেমে গেছে। দিল্লিতে গত সপ্তাহেও আর নম্বর ছিল ০.৬৮ পয়েন্টে। এখন একের নিচে নেমে যাওয়ায় সংক্রমণ বৃদ্ধির হার তুলনায় কমেছে। মুম্বইতেও তাই। বিশেষত মুম্বইয়ের ধারাভি ও ওরলি বস্তি এলাকায় সুস্থতার হার প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় সংক্রমণ ছড়ানোর হার অনেকটাই কমেছে। কনট্যাক্ট ট্রেসিংয়ে করোনা রোগীদের সংস্পর্শে আসাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আলাদা করছে বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের টাস্ক ফোর্স।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও আজকের বুলেটিনের ইতিবাচক দিক হল করোনায় মৃত্যুহার আরও কিছুটা কমেছে। গত কয়েকদিন ধরেই স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিনে আশা জাগছে। মৃত্যুহার ২ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। আজকের হিসেবে ১.৯৬%। অন্যদিকে, সুস্থতার বেড়েছে অনেকটাই। একদিনে করোনা সারিয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৮৩ জন। দেশে এখন কোভিড জয়ীদের সংখ্যা ১৭ লাখ ছুঁতে চলেছে। সুস্থতার হার বেড়েছে ৭০.৭৭%।

ভারতে করোনায় মৃত্যুহার বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম। এর কারণ অনেক।  স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বক্তব্য, দেশে করোনা পরীক্ষা অনেক বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কোভিড চিকিৎসায় কী কী ওষুধ ব্যবহার করা হবে, কী থেরাপির প্রয়োগ হবে সেটা জানতে ক্লিনিকাল ম্যানেজমেন্ট প্রোটোকল তৈরি হয়েছে। কোভিড চিকিৎসা ও গবেষণা সংক্রান্ত বিষয়ের খুঁটিনাটি খেয়াল রাখার জন্য তৈরি হয়েছে টাস্ক ফোর্স। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানাচ্ছে, কোভিড টেস্ট, কনট্যাক্ট ট্রেসিং ও ট্রিটমেন্ট এই তিন ‘টি’ ফর্মুলায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে দেশজুড়েই। আইসিএমআরের হিসেবে দেশে এখনও অবধি ২ কোটি ৬০ লক্ষ ১৫ হাজার ২৯৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গত ১১ অগস্ট সর্বাধিক কোভিড টেস্ট হয়েছে দেশে। হিসেব বলছে ৭ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে একদিনে। স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে, এর পর থেকে প্রতিদিন ১০ লাখের বেশি নমুনা পরীক্ষা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More